ইস্তানবুলে আজ রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে ফাইনালের আগে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা কী খেয়ে থাকেন? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খায় ফুটবলভক্তদের মাঝে। অনেকের কাছে যেটা অজানা তা হলো মৌসুম জুড়ে প্রতিটি খেলার আগেই তারা একটি নীতি অনুসরণ করে, যা আজকের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগেও করছে।
গোল ডটকম তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গ্যাটোরেড স্পোর্টস সায়েন্স ইনস্টিটিউটের প্রধান বিজ্ঞানি ড. ইয়ান রোলো ফাইনালের আগে ২৪ ঘণ্টার খাবারের পরিকল্পনা তৈরি করে দিয়েছেন। এই পরিকল্পনায় তাকে সহযোগিতা করেছেন সিটির প্রধান পারফরম্যান্স শেফ মরগ্যাল স্টিলি ও ক্লাবের হেড অব পারফরমেনস নিউট্রিশন টম প্যারি।
মরগ্যান জানিয়েছেন, ফাইনালের আগের রাতে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হয় ফুটবলারদের। যার মধ্যে আছে ভাত, পাস্তা বা নুডুলস জাতীয় খাবার। তারকা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুয়েন চিকেন পেস্টো স্প্যাগেটি বেছে নিয়েছেন। আজ সকালের নাস্তায় ছিল এমন কিছু খাবার যা সন্ধ্যার ম্যাচের জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে।
সেগুলো হলো টাটাকা বেকড রুটি, পোরিজ (ফল-ওডস দিয়ে তৈরি প্রোটিন জাতীয় খাবার), গ্রানোলা (শুকনো বাদাম ও দুধ দিয়ে তৈরি), কলার রুটি।
এগুলো তো হলো সকালের খাবার। ফাইনালের আগে মধ্যাহ্নভোজের সময় ফুটবলারদের জন্য রাখা হবে দুই প্রকারের খাবার। কম চর্বিযুক্ত পাস্তা ও স্প্যাগেটি পোমোডোরো। সঙ্গে আছে ভাত জাতীয় খাবার। ফারফালে এমন একটি পাস্তা যা ঘরে তৈরি কম চর্বিযুক্ত। চর্বিহীন প্রোটিন জাতীয় খাবারের সঙ্গে আরও থাকছে রোস্ট আলু সুইটকর্ন ফ্রাইটার (ভুট্টার পিঠা)।
এছাড়া খেলা শুরু হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় থাকছে নাস্তার ব্যবস্থা। প্যারি জানিয়েছেন সিটির ফুটবলাররা কলা আর রুটি, কম চর্বিযুক্ত চিজ টোস্ট, ব্রুশেটা (রুটি-টমেটো-বিকন-পনির দিয়ে তৈরি খাবার) এবং রাইস পুডিং দিয়ে নাস্তা করবেন।
এমন প্রোটিনযুক্ত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেয়ে শরীরে জ্বালানি নিয়ে ইন্তারের বিপক্ষে খেলতে নামবে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রথমবার ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয়ের সুযোগ তাদের সামনে। শুধু তাই নয়, শিরোপা জিতলে জেতা হবে ট্রেবলও। আর্লিং হালান্ডদের এমন আনন্দঘন মুহূর্ত দেখার জন্য মাঠে উপস্থিত থাকবেন সিটির মালিক শেখ মনসুর।