টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা তিন ব্যাটারই এখন অস্ট্রেলিয়ার

৩৯ বছর আগের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল অস্ট্রেলিয়া। আইসিসি টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের সাপ্তাহিক হালনাগাদে ব্যাটারদের তালিকায় প্রথম তিনটি স্থানই দখলে নিয়েছে অজি ক্রিকেটাররা।

এক দল থেকেই শীর্ষ তিন, সবশেষ এমন দেখা গিয়েছিল সেই ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে।

ওভালে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৭৪ বলে ১৬৩ রান করেছিলেন ট্রাভিস হেড। যা তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কার এনে দেয়। এবার টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পেলেন বড় পুরস্কার। তিন ধাপ এগিয়ে উঠে এলেন তিন নম্বরে। তার রেটিং ৮৮৪।

মার্নাশ লাবুশেন (৯০৩ রেটিং) আগে থেকেই ছিলেন টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষে। আর দুইয়ে ছিলেন স্টিভেন স্মিথ (৮৮৫ রেটিং)।

১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন কিংবদন্তি শীর্ষ তিনে উঠে এসেছিলেন। তারা হলেন- গর্ডন গ্রিনিজ (৮১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে), ক্লাইভ লয়েড (৭৮৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়) ও ল্যারি গোমেজ (৭৭৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়)। এরপর লাবুশেন, স্মিথ ও হেড তেমন কিছুর পুনরাবৃত্তি করলেন।

অস্ট্রেলিয়ার আরেক ব্যাটার উসমান খাজা র‌্যাঙ্কিংয়ের নয় নম্বরে রয়েছেন। সব মিলিয়ে দেশটির মোট চার ব্যাটার রয়েছেন টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে।

৪৮ ও ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলা অ্যালেক্স ক্যারি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১১ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ৩৬তম স্থানে। ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষে দশে ভারতীয়দের মধ্যে আছেন কেবল রিশভ পন্ত। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে আপাতত যিনি মাঠের বাইরে। আগের মতোই ১২ ও ১৩ নম্বরে আছেন রোহিত ও কোহলি। ভারত হারলেও আজিঙ্কা রাহানে প্রথম ইনিংসে ৮৯ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৬ রান করেন। যা তাকে র‌্যাঙ্কিংয়ের আগের জায়গায় (৩৭তম) ফিরিয়ে এনেছে।

ওভালে না খেললেও বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছেন ভারতের রবীচন্দ্রন অশ্বিন। রবীন্দ্র জাজেদা রয়েছেন নবম স্থানে। চোটের কারণে গত বছরের জুলাইয়ের পর টেস্ট না খেলা জাসপ্রিত বুমরাহ দুই ধাপ নেমে আছেন। এখন আট নম্বরে তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার নাথান লায়ন দুই ধাপ এগিয়ে আছেন ষষ্ঠ স্থানে। পাঁচ ধাপ এগিয়ে স্কট বোল্যান্ড ৩৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। আগের মতোই অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন রবীন্দ্র জাদেজা।