ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে খাবার

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুদের কিছু মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষায়ও ভিটামিন ডি অত্যাবশ্যক। বৃদ্ধদের ক্ষেত্রেও কিছু কিছু অসুখ থেকে বাঁচতে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ভিটামিন ডি খুব ক্ষণস্থায়ী, তাই কিছু না কিছু ভিটামিন ডি অবজার করা উচিত সবারই। এটি মূলত জৈব খাদ্য উপাদান। এর সহজ উৎস সূর্যের আলো। বিভিন্ন খাবার থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। চর্বিযুক্ত খাবার থেকেও পেতে পারি। তেল থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার

দই : ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে দই আমাদের দেহের হাড় মজবুত করে। এ ছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

দুধ : দুধ পাত্রে গরম করে খেলে ভিটামিন ডি-এর চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ হয়। এক গ্লাস দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

ডিমের কুসুম : ভিটামিন ডি-এর অন্যতম ডিমের কুসুম। ডিমের উপরিভাগে অর্থাৎ সাদা অংশে থাকে মূলত প্রোটিন এবং কুসুমে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট, পাশাপাশি মিনারেল।

মাশরুম : সুস্বাদু এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে মাশরুম বেশ পরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার।

সামুদ্রিক মাছ : সামুদ্রিক মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি। মাছের তেলও বেশ উপকারক। চিংড়ি, ইলিশ মাছের ডিম, স্যামন, টুনা ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ভিটামিন ডি-এ ভরপুর।

ওটমিল : প্রতিদিন সকালে নাশতার জন্য দুধের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেলে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ হবে এবং শস্য হিসেবে খেলে বেশি উপকৃত হবে ডায়াবেটিস রোগীরা। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ এবং ডায়াবেটিস কমাতে নাশতার সঙ্গে ওটমিল খেতে পারেন।

লিভার : যদিও লিভারে ভিটামিন ডি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস রোগী এবং কোলেস্টেরল সম্পর্কিত রোগীদের জন্য যকৃৎ বা লিভার কিছুটা ক্ষতিকর। গরুর কলিজায় সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ডি থাকে।

ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ শাকসবজি : ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ শাকসবজি হলো ব্রকলি এবং কপি। 

অন্যান্য খাদ্য : বাদাম, শাকসবজি ইত্যাদির মধ্যে ভিটামিন ডি রয়েছে।