কোথাও ঝড়-বৃষ্টি, কোথাও তাপপ্রবাহ

দেশের অধিকাংশ স্থানেই ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও তীব্র ও মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আগামী তিন দিনে তাপমাত্রা কমে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ১১৬ মিলিমিটার। এ ছাড়া শ্রীমঙ্গলে ৮১, নিকলিতে ৭৯, ঢাকায় ৩৬, ময়মনসিংহে ২৯, কুমিল্লায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

আজ শনিবার (১৭ জুন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; রংপুর ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রাজশাহী, পাবনা ও জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। খুলনা বিভাগসহ রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর ও দিনাজপুর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, এ ছাড়া দেশের অন্যত্র তা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী তিন দিনে তাপমাত্রা ক্রমশ হ্রাস পেতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ২২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া বগুড়া ও ঈশ্বরদীতে ৪০.২, বদলগাছীতে ৩৯.৫, তাড়াশ ও দিনাজপুরে ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

পূর্বাভাসে বলা বলছে, লঘুচাপের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।