প্রধানমন্ত্রীকে কষ্টের কথা জানাতে চান আন্দোলনকারী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজেদের দুঃখ-কষ্ট জানাতে চান ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীন প্রাইভেট পোস্টগ্র্যাজুয়েশনে প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকরা। তাদের দাবি, বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ এই চিকিৎসকদের সন্তানতুল্য বললেও এখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ আনছেন, যা খুবই দুঃখজনক।

গতকাল শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ডা. জাবির হোসেন ও ডা. তানভীর আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে এই চিকিৎসকরা জানান, তাদের এই যৌক্তিক দাবিদাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের প্রতিনিধিদল বৈঠক করে শিগগিরই একটা ফলপ্রসূ সমাধানে পৌঁছাতে চান। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের ফিরিয়ে দেবেন না।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাবির হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। আমরা চাই অচিরেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী, উপাচার্য, বিসিপিএস সভাপতি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাচিপ ও স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্র্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে একটি সুস্থ দিক নির্দেশনা এবং সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন দেবে।’

বিএসএমএমইউর উপাচার্য এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে চিকিৎসকরা বলেন, একজন পিতৃতুল্য অভিভাবক হিসেবে স্যার (বিএসএমএমইউ উপাচার্য) আমাদের বাস্তবিক প্রেক্ষাপটের কথা চিন্তা করে যেটা করা প্রয়োজন, যেন সেটা করেন। স্যার বলেছিলেন, উনি আমাদের নিয়ে আমাদের দাবির পক্ষে প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ে যাবেন। আমরা স্যারের সঙ্গে মন্ত্রণালয়েও যেতে রাজি আছি।

এর আগে গত মঙ্গলবার তিন দফা দাবিতে বিএসএমএমইউতে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন এসব চিকিৎসক। পরে গত বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউর উপাচার্য জানান, চিকিৎসকদের বকেয়া ভাতার ৩৬ কোটি টাকার চেক পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ। খুব দ্রুত তাদের বকেয়া ভাতা দিয়ে দেওয়া হবে। পরে গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে চিকিৎসকরা তাদের বিরুদ্ধে উপাচার্যের আনা বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেন।