দেশব্যাপী আজ রোববার শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দিনব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে। তবে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় এ কর্মসূচি চলবে চার দিন।
গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, দেশের ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ শিশুকে, ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশু ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুসহ ১২-৫৯ মাস বয়সী মোট ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে লাল ও নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মোট ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী, ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে কাজ করবে।
ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে নিয়ে আসার আগে শিশুকে ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে এবং ৬ মাসের কম বয়সী এবং ৫ বছরের বেশি বয়সী ও অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমাদের দেশে রাতকানা রোগ অনেক কমে এসেছে। রাতকানা রোগী এখন দেখা যায় না বললেই চলে। আমাদের দেশে এখন রাতকানা রোগী শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ অর্থাৎ আধা শতাংশেরও কম। এই ক্যাম্পেইন আমরা সারা দেশে পরিচালনা করছি। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের জন্য একটি জরুরি উপাদান। এটি তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর ফলে মৃত্যু ঝুঁকি অনেক কমে আসে।
জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের দেশে খর্বকায় রোগী অনেক বেশি ছিল। সেটা এখন অনেক কমে এসেছে। আমাদের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন হয়েছে, ভিটামিন খাওয়ানো হচ্ছে, সরকারি ভাতা পাচ্ছে– সব মিলিয়ে খর্বকায় রোগ কমে এসেছে। মৃত্যুহার প্রায় ২৪ শতাংশ কমে গেছে।