২৯০ রান করে জিম্বাবুয়ের কপালে চিন্তার ভাজ ফেলে দিয়েছিল নেপাল। কিন্তু দুই সিনিয়র ব্যাটার অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও শন উইলিয়ামসের সেঞ্চুরিতে ৩৫ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের জয় তুলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দারুণ সূচনা করেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।
হারারেতে 'এ' গ্রুপের খেলায় নেপালকে ব্যাটিঙে পাঠিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। রেকর্ড ১৭১ রানের উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ এগিয়েছিল নেপালিরা। ৯৫ বলে ১৩ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় সাজানো কুশলের ইনিংসটা সেঞ্চুরির পূর্ণতা পায়নি। মাসাকাদজার বলে তিনি ৯৯ রানে আউট হলে জুটি ভাঙে। আসিফ শেখ ১০০ বলে ৬৬ রান করে আউট হন। কুশল মাল্লা (৪১) ও অধিনায়ক রোহিত পৌদেল (৩১)দের দৃঢ়তায় ৪৫ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২৫৮ রানে পৌছে যায় নেপাল। কিন্তু দুই পেসার এনগারাভা (৪/৪৩) ও মুজারাবানি (১/৪৮) মিলে বাকি ৫ ওভারে মাত্র ৩২ রান তুলতে দিয়েছেন নেপালকে।
জবাবে অষ্টম ওভারে ৪৫ রানে বিচ্ছিন হয় জিম্বাবুয়ের ওপেনাররা। এরপর ক্রেইগ আরভিন প্রথমে মাধেভেরে, পরে উইলিয়াসমকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান জয়ের দিকে। আরভিন-উইলিয়ামস ২১ ওভারে ১৬৪ রানের জুটিই জিতিয়ে দেয় ম্যাচ। চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরির ইনিংসে ১২৮ বলে ১২১ রান করে অপরাজিত থাকেন আরভিন। মাত্র ৭০ বলে উইলিয়ামস গড়েন জিম্বাবুয়ের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। ৪১ বলে ফিফটি করলেও বাকি পঞ্চাশ তিনি করেন মাত্র ২৯ বলে।
গ্রুপের অন্য ম্যাচে জেসন হোল্ডারের অলরাউন্ড নৈপূন্যে উইন্ডিজ ৩৯ রানে হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে।
জনসন চার্লসের ৬৬, অধিনায়ক শেই হোপের ৫৪, রোস্টন চেজের ৫৫ এবং হোল্ডারের ৪০ বলে ৫৬ রানে ২৯৭ রান করে উইন্ডিজ। জবাবে ১০৯ বলে অপরাজিত ১০১ রানে ৭ উইকেটে ২৫৮তে থামে যুক্তরাষ্ট্র। হোল্ডার ৮ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে পান ১ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন তিনি।