বিশ্বখ্যাত জাহাজ টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়া একটি ডুবোযান আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের তলদেশে নিয়ে যাওয়া ওই ডুবোযানটি সোমবার (১৯ জুন) নিখোঁজ হয়।
এর পরই ডুবোযানটির সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদামধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার সময় ডুবোযানটিতে কতজন পর্যটক ছিলেন, তা পরিষ্কার নয়। এদিকে বোস্টন উপকূলরক্ষীরা সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছে, ডুবোযানটির খোঁজে নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে অভিযান চলছে।
টাইটানিক দর্শনের এক অভিযান— সমুদ্র তলে অবতরণ এবং আরোহণে প্রায় আট ঘণ্টা মতো সময় লাগে। ওশান গেট এক্সপিডিশন নামের একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানি এই অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এ লক্ষ্যে তারাই আটলান্টিক মহাসাগরের গভীর তলদেশে ডুবোযান পাঠায়।
সম্প্রতি কোম্পানিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছে, যেখানে তাদের একটি অভিযান ‘চলমান’ দেখিয়েছে।
বিশ্বের বিখ্যাত এই জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আটলান্টিকের তলদেশে ৩ হাজার ৮০০ মিটার (সাড়ে ১২ হাজার ফুট) নিচে আটকে আছে। কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরে জাহাজটির ধ্বংসাবশেষের অবস্থান।
টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখার জন্য প্রায়ই অর্থের বিনিময়ে কিছু ছোট ছোট ডুবোযান পর্যটক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আটলান্টিকের তলদেশে যায়। ধ্বংসস্তূপের কাছে যাওয়ার জন্য কয়েক দিনের ভ্রমণে ব্যয় হয় হাজারো ডলার।
১৯১২ সালে তৎকালীন বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী এই জাহাজ সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। প্রথম এই সমুদ্রযাত্রায় বিশাল বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায় এটি। এর ৭৩ বছর পর ১৯৮৫ সালে ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার পর থেকে টাইটানিক নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।