বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে উইমেন্স ইমার্জিং টিমস কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার হংকংকের মং ককে ২০ ওভারের ম্যাচটি নেমে এসেছিল ৯ ওভারে। টস জিতে আগে ব্যাট করে ৫৯ রানের পুঁজি নিয়েও রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে লতা মন্ডলের নেতৃত্বাধীন দল।
বুধবার শিরোপার লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
এদিন ভারত ও শ্রীলঙ্কার মেয়েদের প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। এরপরও গ্রুপ পর্বে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় ফাইনালে পা রাখে ভারত।
এদিনের দুটি সেমিফাইনালই মূলত হওয়ার কথা ছিল গতকাল। কিন্তু বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে যাওয়ায় রিজার্ভ ডে-তে গড়িয়েছিল খেলা।
বাংলাদেশের দেওয়া ৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান দারুণ শুরু পেয়েছিল। প্রথম ২ ওভারে ১৬ রান তুলে ফেলে দলটি। দ্বিতীয় ওভারে সানজিদা আক্তার মেঘলা খরচ করেন ১৪ রান। তবে শেষ ওভারে সেই মেঘলাই দারুণ বল করে বাংলাদেশকে জয়ের আনন্দে মাতিয়েছেন।
শেষ ২ ওভারে পাকিস্তানের ২০ রান প্রয়োজন ছিল। অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে আসেন মারুফা আক্তার। প্রথম তিন বলে তিনি ২ রান দিলেও চতুর্থ বলে চার হাঁকান পাকিস্তান অধিনায়ক ফতিমা সানা। পরের বলে সিঙ্গেল নেন তিনি। ষষ্ঠ বলে নাতালিয়া পারভেইজকে (৩ বলে ২ রান) বোল্ড করেন ফিরিয়ে দেন মারুফা। ওই ওভারে সব মিলিয়ে তিনি খরচ করেন ৭ রান।
ফলে শেষ ওভারে ১৩ রান প্রয়োজন পড়ে পাকিস্তানের। আক্রমণে আসেন বাঁহাতি স্পিনার মেঘলা। যদিও এর আগে এক ওভার বল করে ১৪ রান দিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করেন।
পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা ৮ বলে ১০ রানে অপরাজিত থেকে যান। সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন ইয়েমান ফাতিমা। ১১ রান আসে শায়াল জুলফিকারের ব্যাট থেকে।
বাংলাদেশের পক্ষে ২ উইকেট নিয়ে অবশ্য সবচেয়ে সফল বোলার রাবেয়া খান। মারুফা ও নাহিদা নেন ১টি করে উইকেট।
নাহিদা এর আগে ব্যাটিংয়েও দলকে টেনেছেন। আট নম্বরে নেমে ১৬ বলে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন তিনি ৩ চার ও ১ ছক্কায়। ১৬ রানে ৬ উইকেট হরানোর পরও তাই ৭ উইকেটে ৫৯ রান করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। পরে তো দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচটাও নিজেদের করল।
পাকিস্তানের মেয়েদের পক্ষে ফাতিমা সানা সর্বাধিক ৩ উইকেট নেন। ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের নাহিদা।