৩০ বছর ধরে কারাগারে

সেই আলাউদ্দিনের সাজা গণনা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

৩০ বছর ধরে কারাগারে থাকা শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের আলাউদ্দিনের গ্রেপ্তারের সময় থেকে সাজা কেন একসঙ্গে গণনা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে গতকাল সোমবার বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়। রুলে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, আইজি প্রিজন্সসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদীদের (রিট মামলার বিবাদী) তিন সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট।

আলাউদ্দিনের অতিরিক্ত সাজা খাটার বিষয়ে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রতিবেদন আসার পর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিভূতি তরফদার। গত ১ জুন হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ আলাউদ্দিনের অতিরিক্ত সাজার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ৬ জুনের মধ্যে বিস্তারিত জানতে চায়।

কারা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনের বরাতে রিটকারী আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন, ডাকাতির একটি মামলায় সাত বছর এবং অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ ৭৭ বছর কারাদণ্ডের রায় হয়। এখন সাজা সব একসঙ্গে চলবে নাকি একটার পর আরেকটা চলবে সে বিষয়ে বিচারিক আদালতের রায়ে কিছু উল্লেখ নেই। তিনি বলে, আলাউদ্দিন ৩০ বছর ধরে কারাগারে আছেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর। অন্যদিকে কারাগারের রেয়াত পেয়ে সেটি হয় সাড়ে ২২ বছর। আমাদের হিসাবে ২০১৭ সাল থেকে তিনি অতিরিক্ত সাজা ভোগ করছেন। আদালত এ বিষয়ে রুল দিয়েছে।