১০৩ বছরে ‘জাতির বাতিঘর’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বাঙালির সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ প্রতিটি অর্জনের পেছনে অনন্য ভূমিকা রেখেছে দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা। ‘জাতির বাতিঘর’ হিসেবে যুগ যুগ ধরে আলো বিলিয়ে চলা বিশ্ববিদ্যালয়টি গতকাল শনিবার ১০৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টায় টিএসসির পায়রা চত্ত্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। এ ছাড়াও বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়ানো, বেলুন উড্ডয়ন, থিম সং পরিবেশন, শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।