স্তন ক্যানসার নিরাময়যোগ্য

স্তন ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা গেলে ও দ্রুত চিকিৎসা নিলে বাকি জীবন সুস্থ থাকা সম্ভব।

ব্রেস্ট ক্যানসারের ভয়

এর সঠিক চিকিৎসা না করালে মৃত্যু হয়। মূল উৎপত্তিস্থল থেকে আস্তে আস্তে এরা মেটাস্টাসাইজ হয়ে শরীরের অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। তখন আর আক্রান্তকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। বায়োপসি করার সময় ভেতরের কোষগুলো শরীরের অন্য অংশে গিয়ে সমস্যা করে। রোগী ও রোগের অনেক বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসা করা হয়। যেমন প্রাইমারি লোকেশন, বিনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট, লসিকা গ্রন্থি (লিম্ফ নোড অর্থাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী ব্যবস্থার অংশ) আক্রান্ত কিনা, সাইজ, গ্রেড, মেটাস্টাসাইজ হয়েছে কিনা ইত্যাদি। আবার ক্যানসার হওয়ার পর ভালো হবে কিনা, কতদিন বাঁচবে এটা নির্ভর করে মূলত চিকিৎসার কার্যকারিতা, সাইজ, গ্রেড, বয়স বৃদ্ধির হার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর।

স্তন ক্যানসার সাধারণত তিনভাবে শনাক্ত করা যায়

যাদের বয়স ৪৫ বছর হয়েছে তারা প্রতি ১ বা ২ বছর পরপর নিয়মিত ম্যামোগ্রাম করাবেন। যাকে বলা হয় স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম। সাধারণত ৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত এটা করা হয়। এরপর সাধারণত ক্যানসারের বৃদ্ধি খুব আস্তে আস্তে হয়। আর চিকিৎসাও খুব আস্তে আস্তে এবং কিছুটা ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। যারা বংশগতভাবে রিস্কে থাকেন তাদের ৪০ বছর পর থেকেই নিয়মিত ম্যামোগ্রাফি করতে হবে।

কেউ অন্য কোনো রোগে ডাক্তারের কাছে গিয়েছেন। তার স্ক্রিনিং করতে গিয়ে (এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, আলট্রাসাউন্ড) বা অন্য কোনো ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ধরা পড়ে।

নিজে নিজে পরীক্ষা করার সময়। তবে স্কিনিংয়ের বাইরে ধরা পড়া টিউমারের প্রায় ৮০ ভাগই ধরা পড়ে এভাবে।

এক অর্থে স্তন ক্যানসারকে নীরব ঘাতক বলা হয়। যতক্ষণ টের পাওয়া যায় ততক্ষণ অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ টিউমার ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করুন।