ওয়াগনার বিদ্রোহের পর প্রথম প্রকাশ্যে শীর্ষ রুশ জেনারেল

গত ২৪ জুন রাশিয়ার আধা সামরিক ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ দেশটির শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এক ব্যর্থ বিদ্রোহ করে। এর ১৫ দিন পর আজ সোমবার প্রথমবারের মতো দেশটির সামরিক বাহিনীর শীর্ষ জেষ্ঠ্য জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভকে জনসম্মুখে আসতে দেখা গেছে। এদিন প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাকে তার বাহিনীর সেনাদেরকে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা নির্দেশ দিতে দেখা যায়।

সোমবার ( ১০ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ওই ভিডিও ৬৭ বছর বয়সী চিফ অব জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভ রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলদের নিয়ে বৈঠক করতে দেখা যায়। এ সময় সামরিক বাহিনীর কমান্ড রুমে তাকে সাদা চামড়ার একটি চেয়ারে বসে ছিলেন তিনি। বৈঠকে দেশটির শক্তিশালী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (জিআরইউ) কর্মকর্তরাও উপস্থিত ছিলেন। এক ভিডিও কলে জেনালের গেরাসিমভকে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে দেখা গেছে।

অপর প্রান্ত থেকে গেরাসিমভকে বলা হয়েছে যে, ২০৪ সালে রাশিয়ায় দখলকৃত ক্রিমিয়া, রোস্তভ এবং কালুগা অঞ্চলে রবিবার (৯ জুলাই) ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ব্যর্থ করা হয়েছিল এবং এ সময় ইউক্রেনের হামলার জবাব কিভাবে দেওয়া যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে যে, ভিডিও ফুটেজে জেনারেল গেরাসিমভকে রবিবার একটি বৈঠকে দেখা গেছে। এ সময় মন্ত্রণালয় তাকে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফদের প্রধান এবং ইউক্রেনের মস্কো বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করেছে। ওয়াগনার বিদ্রোহের আগেও তিনি একই পদে ছিলেন।

এই ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ করে যে, ওয়াগনার প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোঝিনের বরখাস্তের দাবি সত্ত্বেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার শক্তিশালী দুই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে এখনও তাদের পদে বহাল রেখেছেন। এরা হলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু এবং শীর্ষ জেনালের গেরাসিমভ।