রাজধানীর তেজগাঁও রেলগেট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর। পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় শিশুটি যখন রেললাইনে পড়ে কাতরাচ্ছিল, তখন তার সহায়তায় এগিয়ে না এসে মোবাইল ফোনে এ দৃশ্যের ছবি আর ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন অনেকেই। পরে আসিফ নামে এক শিক্ষার্থী শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ওই শিশুকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা শিক্ষার্থী আসিফ বলেন, বাসায় যাওয়ার পথে দেখতে পাই শিশুটি ট্রেনে কাটা পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হয়ে রাস্তায় পড়ে আছে। আমি সামনে গিয়ে দেখি সবাই ঘিরে বসে আছেন, কেউ ছবি তোলায় ব্যস্ত, কেউ ভিডিও করতে। এ অবস্থা দেখে আমি সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করি। তবে সেখান থেকে দ্রুত সাড়া না মেলায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসি। শিশুটি এখন ঢামেকের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি শিশুটি পথশিশু। কমলাপুরগামী একটি ট্রেনে কাটা পড়ে তার পা বিচ্ছিন্ন হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুটির বাম পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। শিশুটির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।