সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচন সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। ইভিএমের মাধ্যমে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ ভোট চলবে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে এ ভোট। ২০১৭ সালে তাড়াশ পৌরসভা প্রতিষ্ঠা হয়। সীমানা জটিলতায় ৬ বছর ধরে এ পৌরসভার নির্বাচন আটকে ছিল। এ জটিলতা কাটিয়ে এই প্রথম তাড়াশ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৫ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাড়াশ পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১৯ হাজার ২৮৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৯ হাজার ৮২০ জন, পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৪৬৭ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন। পৌরসভার ১০টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে মোতায়েন রয়েছে ১০ জন পুলিশ ও ১৭ জন আনসার সদস্য।
নির্বাচনে মেয়র পদে চার প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মো. আব্দুর রাজ্জাক। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. বাবুল শেখ (জগ), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম (নারিকেল গাছ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আল-আমিন হোসেন (মোবাইল ফোন)। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের দুজন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রয়েছেন।
সকালে তাড়াশ ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, এ কেন্দ্রে পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি। নারীরা দীর্ঘ লাইন ধরে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে ব্যস্ত। তবে ইভিএমে ভোট হওয়ায় ভোট দিতে কিছুটা সময় লাগছে। বিশেষ করে বয়স্ক ভোটাররা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। ভোট শুরুর আগেই সকাল ৮টা থেকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন ভোটাররা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি আরও বেড়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে ৪ স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের অধীনে স্টাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করছে।
সকালে তাড়াশ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, এই প্রথম তাড়াশ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল থেকেই ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোট দিচ্ছে। আশা করি, সুষ্ঠুভাবেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।