আপনার জিজ্ঞাসা

ঋতুস্রাব চলাকালে সিজদার আয়াত শুনলে করণীয়

মাহমুদা খাতুন, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম

প্রশ্ন : ঋতুস্রাব চলাকালে কোরআন মাজিদের তেলাওয়াত শোনার সময় সিজদার আয়াত শুনলে কি সিজদায়ে তিলাওয়াত আদায় করা আবশ্যক?

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে সিজদায়ে তিলাওয়াত করতে হবে না। কেননা, হায়েজ অবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে সিজদায়ে তিলাওয়াত ওয়াজিব হয় না।

 

পুকুরে ভেসে ওঠা মৃত মাছ খাওয়া

মো. হেলাল মিয়া, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ

প্রশ্ন : আমরা পুকুরে মাছ চাষ করি। কখনো কখনো দেখা যায়, এক-দুটো মাছ মরে ভেসে ওঠে। মাছের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্নও থাকে না। এ ধরনের মরা মাছ খাওয়া যাবে কি না?

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মাছ যদি স্বাভাবিকভাবেই মরে ভেসে ওঠে, তাহলে তা খাওয়া যাবে না। কেননা কোনো কারণ ছাড়া যে মাছ মরে যায় তা খাওয়া জায়েজ নয়। তবে যদি কোনো কারণবশত মাছ মরে যায় যেমন, পুকুরে খাবার বা অন্য কোনো কিছু দেওয়ার কারণে বা কোনো প্রাণীর আঘাতের কারণে অথবা পানি অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা হওয়ার কারণে ইত্যাদি, তাহলে ওই মাছ খাওয়া যাবে। ফাতাওয়া বাযযাযিয়া : ৬/৩০১

 

রেলগাড়িতে সরবরাহকৃত

পানি ব্যবহার

মুহাম্মদ আশিকুল ইসলাম, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রশ্ন : আমার বাসা রেলস্টেশনের পাশে। এই স্টেশন থেকে রেলগাড়ির ট্যাংকিতে পানি নেওয়া হয়। একদিন দেখি, একটা ছেলে রেলগাড়ির ট্যাংকিতে প্রস্রাব করছে। এরপর থেকে আমি রেলের পানি ব্যবহার করি না। আমার সন্দেহ হয়, পানিগুলো নাপাক। অথচ পানির রং ও স্বাদ সব ঠিক আছে। সাধারণ যাত্রীরা বিনা সন্দেহে এসব পানি ব্যবহার করে। প্রশ্ন হলো, রেলগাড়ির পানি কি নাপাক? এসব কারণে কি তায়াম্মুম করা যাবে?

উত্তর : সাধারণত ট্রেনে পবিত্র পানিই সরবরাহ করা হয়। সুতরাং আপনি যেবার ওই ঘটনা দেখেছেন সেবার ওই পানি ব্যবহার না করা ঠিক হয়েছে। কিন্তু ওই ঘটনার কারণে পরে ট্রেনের পানি নিয়ে সন্দেহ পোষণ করা ঠিক নয়, বরং ট্রেনের পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে কোনো অসুবিধা নেই। আর ট্রেনে পানি থাকা অবস্থায় শুধু সন্দেহের কারণে তায়াম্মুম করা জায়েজ হবে না।

উল্লেখ্য, রেল কর্র্তৃপক্ষের কর্তব্য হলো, প্রশ্নে বর্ণিত অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার পুনরাবৃত্তিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আদ দুররুল মুখতার : ১/১৫১