বিখ্যাত তুর্কি শহর ইস্তানবুলে অবস্থিত আয়া সোফিয়া একসময় জাদুঘর ছিল। বর্তমানে সেটি মসজিদে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে জাস্টিনিয়ান প্রথম সম্রাট এটি নির্মাণ করেন। ওই সময় গ্রিক অর্থোডক্স খ্রিস্টান চার্চ ছিল সেটি। পরে সময়ের পরিক্রমায় এর কাঠামো ও গঠন পরিবর্তন হয়েছে। আয়া সোফিয়াতে আধুনিক তুর্কি ও পুরনো সাম্রাজ্যের প্রতিচ্ছবি পরিলক্ষিত হয়। ১৪৫৩ সালে ইস্তানবুল দখল করেন সুলতান মেহমেদ দ্বিতীয়। তিনি একে মসজিদে রূপদান করেন। এতে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায় এটি। পরে অটোমান সাম্রাজ্যে মান-মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে স্থাপনাটি। তাদের শাসনামলে এতে মহানবী (সা.) ও চার খলিফার নাম খোদাই করা হয়। এছাড়া মেহরাব ও মিনার তৈরি করা হয়। ২০ শতাব্দীর শুরুতে অটোমান সাম্রাজ্যের ক্ষমতা-প্রতিপত্তি কমতে থাকে। ১৯২৩ সালে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত হয় তুরস্ক। এতে আয়া সোফিয়ার শৈলীতে রদবদল ঘটে। ১৯৩৪ সালে এটি জাদুঘরে পরিণত হয়। আর ২০২০ সালের ১০ জুলাই একে মসজিদে রূপান্তর করেন সবশেষ তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।