আলী এক্সপ্রেসে কেনাকাটা

অনলাইনে কেনাকাটার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট আলী এক্সপ্রেস। ফেসবুকের কারণে আমরা হরহামেশাই আলী এক্সপ্রেসের নানা পণ্য দেখতে পাই। এই পণ্য কিনতে চান অনেকই। কিন্তু উপায় অনেকেরই জানা নেই। আলী এক্সপ্রেস যেহেতু চীনের ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান তাই, পণ্য কেনার নিয়মে পার্থক্য রয়েছে। পণ্য কিনতে হলে জানতে হবে সেসব নিয়ম।

অ্যাকাউন্ট খোলা : অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম অন্যসব ই-কর্মাস ওয়েবসাইটের মতো। ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। ওয়েবসাইট লিঙ্ক  aliexpress.com অ্যাপ ডাউনলোড লিঙ্ক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ও আইওএস অ্যাপ। নিজের ইমেল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Create Account--এ ক্লিক করুন। অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেলে। এবার পরবর্তী ধাপ হলো পণ্য নির্বাচন করা।

পণ্য নির্বাচন : আপনার পছন্দের পণ্য সার্চবারে সার্চ করুন। এবার পছন্দের পণ্যটিতে ক্লিক করুন। ইুঁ ঘড়ি অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে পণ্যের বিস্তারিত দেখতে পারবেন। সেখান থেকে পণ্যের রং ও আকার নির্বাচন করুন। পণ্যটি কোথা থেকে ক্রয় করবেন নির্বাচন করুন। ছঁধহঃরঃু থেকে আপনি কতটি পণ্য ক্রয় করতে চান তা নির্বাচন করুন। Shipping-এর মানে হলো কোনো কুরিয়ারে আপনার পণ্যটি শিপিং হবে। এখানে ফ্রি শিপিং থাকলে সেটা নির্বাচন করুন অথবা যদি পেইড শিপিং চাল তাহলে, এখানে ক্লিক করে নির্বাচন করুন। Buy Now  তে ক্লিক করুন। এবার আপনার ঠিকানা যোগ করুন। অবশ্যই পোস্ট অফিসের কোড যোগ করবেন। তারপর পেমেন্ট মেথড যোগ করুন।

পেমেন্ট মেথড : পণ্য অর্ডার করার আগে আপনাকে পেমেন্ট মেথড নির্বাচন করতে হবে। আলী এক্সপ্রেসে ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ নেই। এখানে পণ্য কিনতে হলে, অগ্রিম টাকা দিতে হবে। সেটা বাংলাদেশ থেকে ৩টি পদ্ধতিতে দিতে পারবেন। যেমন : মাস্টার কার্ড যেমন : পাওনিয়ার (Web money), ইবিএল একোয়া মাস্টার কার্ড কিংবা ডুয়েল কারেন্সি সাপোর্ট করে এমন মাস্টার কার্ড। ওয়েব মানি (ডবন সড়হবু) ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন (Western union)। মাস্টার কার্ড যোগ করতে হবে পণ্য কেনার সময়। আপনার মাস্টার কার্ডের নম্বর, আপনার নাম, মেয়াদ এবং ঈঠঈ কোড দিলে কার্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা কেটে নেবে।

পণ্য অর্ডার করা : কোন প্রোমো কোড বা কুপন থাকলে যোগ করুন। সব কিছু ঠিক থাকলে Place Order  এ ক্লিক করুন। চায়না পোস্ট রেজিস্টার্ড এয়ার মেইল ও আলী এক্সপ্রেস স্ট্যান্ডার্ড শিপিং খুব দ্রুত এবং নিরাপদ।

পণ্য রিসিভ করা : বাংলাদেশে পণ্য আসতে ৭ থেকে ৬০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। ফ্রি শিপিংয়ের ক্ষেত্রে পণ্য পোস্ট অফিসে আসবে। পোস্ট অফিস থেকে পণ্য আপনার বাসায় দিয়ে যেতে পারে অথবা আপনাকে গিয়ে নিয়ে আসতে হতে পারে। আর পেইড শিপিং DHL সিলেক্ট করলে DHL-এর অফিসে আসবে। মনে রাখবে, পণ্য রিসিভ করার সময় যদি কাস্টম চার্জ আসে তাহলে দিতে হবে।