দেশের প্রায় সব সক্রিয় বিরোধী দলই নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্দোলন করছে। এটি জনদাবিতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সে দাবির প্রতি কর্ণপাত না করে বিরোধী দলের আন্দোলনকে নির্মমভাবে দমন করছে। জনগণের কাছে এটা স্পষ্ট যে, আওয়ামী লীগ এবারও একটি প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, দ্রব্যমূল্য রোধ ও দুনীর্তি-লুটপাট বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক জোট নেতারা এ কথা বলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এ সরকার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, আওয়ামী লীগের তথাকথিত শান্তি সমাবেশ থেকে তাদের নেতারা যে ভাষায় বক্তব্য রেখেছে তাতে বোঝা যায় তারা একটি সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে চাইছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্দলীয় তদারকি সরকার গঠন করে তার অধীনে নির্বাচন আয়োজন করা ছাড়া আর কোনো সমাধান নেই।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের, কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক মাসুদ রানার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ প্রমুখ।