ঢাকার কদমতলী এলাকায় ২০১৭ সালের এক রাতে কথা এন্টারপ্রাইজ নামে এক ছাপাখানার মেসে সহকর্মীদের হাতে খুন হন সোহেল মিয়া (২৫) ও তার চাচা ইকবাল হোসেন (৫৫)। তাদের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ঘুনিপাড়ায়। এ ঘটনায় ওই ছাপাখানার কর্মচারীসহ ১৪ জন জড়িত এবং তাদের আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআই বলছে, ছাপাখানায় কর্মরত চাচা-ভাতিজাকে রাতে লাইট বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে হত্যা করা হয়। ভাতিজাকে হত্যা করে চাচা পালিয়ে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রচার করে হত্যাকারীরা। গতকাল বুধবার ধানমণ্ডিতে পিবিআই সদরদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার।
তিনি বলেন, রাতে লাইট বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে প্রেসের কর্মচারীদের সঙ্গে ইকবালের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কর্মচারীরা ইকবালকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করে। সোহেল ঘুম থেকে উঠে তার চাচাকে কেন মারধর করা হয়েছে জানতে চাইলে তাকেও লোহার রড দিয়ে এক কর্মচারী আঘাত করে। পরে হত্যাকারীরা ইকবালের লাশ লুকিয়ে রেখে গল্প সাজায়, ইকবাল রড দিয়ে সোহেলকে আঘাত করে পালিয়ে গেছে। প্রেসের কর্মচারী মো. হাসান মিয়া রাতে ইকবালের স্ত্রী পারভীন বেগমকেও ফোন করে জানায়, সোহেলকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে পালিয়ে গেছে তার স্বামী।