সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যখন আমরা রুপালি পর্দায় আমাদের প্রিয় অভিনয়শিল্পী যারা মারা গেছেন তাদের অভিনয় করতে দেখব। এটি সম্ভব হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বদৌলতে। প্রযুক্তির এই বিকাশকে যেমন স্বাগত জানানো হচ্ছে, তেমনি এ নিয়ে শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া
সৃজনশীলতা প্রতিস্থাপনকারী
রুপালি পর্দার অভিনেতাদের স্বপ্ন থাকে, এমন অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেবেন যাতে মানুষ তাদের মৃত্যুর পরও মনে রাখবে। নানা কারণে সবার পক্ষে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার অনেকের অভিনয় দশকের পর দশক ধরে মানুষের স্মৃতিতে রয়ে যায়। সিনেমার পর্দায় তারা এক ধরনের অমরত্ব লাভ করেন বলা চলে। এমনই একজন অভিনেতা জেমস ডিন। হলিউডের মাত্র তিনটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি এবং প্রত্যেকটিতেই তার অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কাটে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন ডিন। ১৯৫৫ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় মাত্র ২৪ বছর বয়সে এই প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু ঘটে। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে ডিনের মৃত্যুতে হলিউডে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার ভক্ত-অনুরাগীদের অনেকে আজও বেঁচে আছেন। তাদের জন্য একটি সুখবর আছে। ব্যাক টু ইডেন নামে হলিউডে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ হতে যাচ্ছে। তাতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করবেন জেমস ডিন। অর্থাৎ মৃত্যুর প্রায় ৭০ বছর পর জেমস ডিনকে ফের দেখা যাবে। অনেকে হয়তো আশ্চর্য হচ্ছেন এ কেমন করে সম্ভব! একজন মৃত ব্যক্তি কীভাবে অভিনয় করবেন? কবর থেকে তুলে এনে কাউকে দিয়ে কিছু করা যায় না, তা সবাই জানেন। তাহলে? আসলে অসাধ্য এই কাজ স্বভাবতই কোনো মানুষ করতে যাচ্ছে না, করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এরই মধ্যে জেমস ডিনের একটি ডিজিটাল ক্লোন তৈরি করা হয়েছে এবং সেই ক্লোনকে আমরা পর্দায় দেখব অভিনয় করতে। মৃত্যুর সাত দশক পর এভাবেই তিনি আবার রুপালি পর্দায় ফিরে আসবেন। ডিজিটাল ক্লোন তৈরির এই প্রযুক্তি হলিউডের কম্পিউটার জেনারেটেড ইমাজেরি বা সিজিআইয়ের (কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্থিরচিত্র বা অ্যানিমেটেড ভিডিও কনটেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া) সবচেয়ে আধুনিক ধাপ। তবে একই সঙ্গে এ নিয়ে উদ্বেগও আছে। চলতি বছরের মে মাসে শুরু হয়েছে ছয় দশকে হলিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধর্মঘট। হলিউডের চিত্রনাট্যকাররা কয়েকটি দাবিতে ধর্মঘট করছেন। দুই মাস পর গত জুলাইয়ে তাদের ধর্মঘটে সংহতি জানিয়ে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড-আমেরিকান ফেডারেশন অব টেলিভিশন অ্যান্ড রেডিও আর্টিস্টস (এসএজি-এএফটিআরএ)। এই সংগঠনে কিলিয়ান মারফি, ম্যাট ডেমন, এমিলি ব্লান্টের মতো তারকা অভিনেতাসহ প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার শিল্পী আছেন। তাদের দাবি-দাওয়াগুলোর একটি হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ঠেকানো। চিত্রনাট্যকার-অভিনয়শিল্পীদের আশঙ্কা, মুনাফার জন্য তাদের সৃজনশীলতাকে প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছে এআই। ধর্মঘটে আছেন হলিউডের নামকরা অভিনেত্রী সুসান সারানডন। তিনি উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, এআই তাকে দিয়ে এমনসব কাজ করাতে পারে যা করতে তিনি বাধ্য হবেন।
উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে রুপালি পর্দায় কোনো অভিনেতাকে পুনরুজ্জীবন দেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। জেমস ডিনের আগে ক্যারি ফিশার, হ্যারল্ড রামিজ ও পল ওয়াকারের মতো তারকা শিল্পীদের তাদের মৃত্যুর পর পর্দায় হাজির করা হয়। ব্রাজিলের গায়িকা এলিস রেজিনাকেও সম্প্রতি গাড়ির এক বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে। ১৯৮২ সালে তার মৃত্যু হয়েছিল। বিজ্ঞাপনটিতে দেখা যায়, এলিস রেজিনা তার মেয়ে মারিয়া রিতার সঙ্গে গান গাইছেন। মার্কিন অভিনেতা জেমস ডিনের ডিজিটাল ক্লোন নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়। ২০১৯ সালে ঘোষণা করা হয়, ফাইন্ডিং জ্যাক নামে এক সিনেমায় সিজিআইয়ের মাধ্যমে তার পুনরুত্থান হবে। পরে ওই প্রকল্প বাতিল করা হয়। ডিজিটাল এজেন্সি ওয়ার্ল্ডওয়াইডএক্সআরের (ডব্লিউএক্সআর) প্রধান নির্বাহী ট্র্যাভিস ক্লয়েড এবার নিশ্চিত করে জানান, সায়েন্স ফিকশন ব্যাক টু ইডেনে জেমস ডিনকে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে। জেমস ডিনের ডিজিটাল ক্লোনিং সফলভাবে হলে চলচ্চিত্র জগতে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ওই অভিনেতার এআই অ্যাভাটার ব্যাক টু ইডেনসহ পরবর্তী সময়ে আরও চলচ্চিত্রে যেমন অভিনয় করবে, তেমনি দর্শকরা ওই এআই অ্যাভাটারের সঙ্গে ভিডিও গেম খেলতে পারবেন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কথা বলতে পারবেন। এই প্রযুক্তি ডিপফেইক প্রযুক্তির (কারোর শরীরের ওপর অন্য একজনের মুখ বসিয়ে দেওয়া) চেয়ে আরও অনেক বেশি উন্নত। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ডিজিটাল ক্লোনিং জীবিত অভিনেতাদের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে কারণ এর মাধ্যমে তারা অমর হয়ে থাকবেন। জেমস ডিনের মতো মৃত্যুর পরও তাদের পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যাবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন স্বভাবতই উঠেছে। কোনো অভিনয়শিল্পীর মৃত্যুর পর তার চেহারা, গলার স্বর ও ব্যক্তিত্বের স্বত্ব কার হবে? মৃত্যুর পর তাকে যেখানে, যেভাবে ব্যবহার করা হবে সেসব নিয়ন্ত্রণ করবে কে? অর্থাৎ জীবদ্দশায় সাহসী ও দৃঢ় কোনো চরিত্রে অভিনয় করা কাউকে কি হঠাৎ কমেডি কোনো চরিত্রে দেখা যাবে? বা পর্নোগ্রাফিতে? তাকে কি বিজ্ঞাপনচিত্রে ব্যবহার করা হবে? এসব প্রশ্নের জুতসই উত্তর হলিউডের প্রযোজক বা স্টুডিও মালিকদের কাছে আছে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। তারকাশিল্পীদের কেন কবরে শান্তিতে ঘুমাতে দেওয়া হচ্ছে না বা হবে না, এ প্রশ্নও তুলেছেন তারা।
মার্ক উইন্সলো অভিনেতা জেমস ডিনের চাচাতো ভাই। তারা একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে শৈশব কাটিয়েছেন। মার্ক উইন্সলো মনে করেন, পর্দায় তার ভাই ডিনের আবেদন তাকে অমর করেছে। এত বছর পর তাই কোনো সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে তাকে আবার হাজির করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কোনো সিনে যদি দুই বা তিনজন অভিনেতা থাকে, তাহলে সবার চোখ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিনের দিকেই যাবে। আমি মনে করি না, কেউ তার জায়গা নিতে পারবে। তবে পর্দায় এটি করা প্রযুক্তির পক্ষে সম্ভব। আমার ভাইকে এআই জীবন্তভাবে উপস্থাপন করতে পারে।’
ডিজিটাল ক্লোন
ডিজিটাল এজেন্সি ওয়ার্ল্ডওয়াইডএক্সআর (ডব্লিউএক্সআর) জেমস ডিন ছাড়া আরও শ’খানেক ব্যক্তির ছবি নিয়ে কাজ করছে। এদের মধ্যে অভিনয়শিল্পী ছাড়াও আছেন বিমানচালক এমেলিয়া ইয়ারহার্ট, মার্কিন মডেল বেটি পেইজ, রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী ম্যালকম এক্স, অ্যাক্টিভিস্ট রোজা পার্কস। ৬৮ বছর আগে জেমস ডিন মৃত্যুর সময় চলচ্চিত্র, স্থিরচিত্র ও অডিওতে তার চেহারা ও গলার স্বরের বিশাল ভাণ্ডার রেখে যান। ডিজিটাল এজেন্সি ওয়ার্ল্ডওয়াইডএক্সআরের প্রধান নির্বাহী ট্র্যাভিস ক্লয়েড এগুলোকে সোর্স ম্যাটেরিয়াল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ডিনের চেহারা হুবহু উপস্থাপন করার লক্ষ্যে তার অগণিত ছবি স্ক্যান করা হয়। সেগুলোকে হাই রেজ্যুলুশনে নেওয়া হয় এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে একদল ডিজিটাল বিশেষজ্ঞ ছবিগুলো নিয়ে আরও কাজ করে। ছবিগুলোতে এরপর অডিও, ভিডিও ও এআই যুক্ত করা হয় এবং এসব উপাদান হঠাৎ একটি ডিজিটাল ক্লোনের বিল্ডিং ব্লকে পরিণত হয় যা দেখতে হুবহু অভিনেতা ডিনের মতো। তার মতোই ক্লোনটি চলাফেরা করে, শব্দ করে, এমনকি সাড়াও দেয়। জেমস ডিন যা রেখে যাননি, তা হলো ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত থাকা আজকের যুগের তারকারা সেলফি তুলে, বিভিন্ন মাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে, সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে, অনলাইনে সুপারশপে কেনাকাটা করে ও অনলাইনে মেডিকেল প্রেসক্রিপশন কিনে ওইসব ফুটপ্রিন্ট রেখে যান। তাদের এসব কর্মকাণ্ড বিশাল তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে যার মাধ্যমে তারকারা কীভাবে চিন্তা করেন, কাজ করেন তার ধারণা পাওয়া যায় এবং ওই তথ্যভাণ্ডারকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল ক্লোন বানানো যায়।
চাকরি হারানোর শঙ্কা
হলিউডের অভিনয়শিল্পীরা আশঙ্কা করছেন, মৃতদের জন্য তারা বেকার হয়ে যেতে পারেন। বিশ্বখ্যাত অভিনেতা টম হ্যাঙ্কস বলেছেন, ‘আগামীকাল বাসের ধাক্কায় আমি মারা যেতে পারি। কিন্তু মারা যাওয়ার পরও আমার অভিনয় বন্ধ হবে না। চলতেই থাকবে।’ টম হ্যাঙ্কসের এই বক্তব্যে পরিষ্কার বোঝা যায়, তিনিসহ হলিউডের বাকি অভিনয়শিল্পীদের উদ্বেগ কতটা গভীর। তারা মনে করছেন, ডিজিটাল ক্লোনিংয়ের পরের ধাপে তারকা ও সাধারণ নাগরিক উভয়ই জাতিগত, আইনি ও দৈনন্দিন বিষয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে ভয়েস অ্যাক্টর বা কণ্ঠশিল্পীরা এআইয়ের বিষয়ে আলোচনা তুলছেন বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ভয়েস অ্যাক্টরসের (নাভা) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট টিম ফ্রিডল্যান্ডার বলেন, ‘মিকি মাউস, পরকি পিগ, স্নো হোয়াইটের কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে যারা মারা গেছেন, পরে তাদের জায়গায় অন্য শিল্পীদের নেওয়া হয়। এভাবেই চলছে। কিন্তু যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, আমরা মেল ব্ল্যাঙ্ককে অনন্তকাল ধরে ব্যবহার করছিÑ তাহলে কেমন হবে?’ লুনি টিউনস কার্টুনের অনেক চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন মেল ব্ল্যাঙ্ক। ১৯৮৯ সালে তার মৃত্যু হয়।
টিম ফ্রিডল্যান্ডার ও তার সঙ্গে কাজ করা কণ্ঠশিল্পীদের আশঙ্কা, প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করা কণ্ঠশিল্পীরা আগামী দিনে ভয়েস ওভার ইন্ডাস্ট্রিতে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করবে এবং জীবিত কণ্ঠশিল্পীরা চাকরিচ্যুত হবেন। ওয়ার্ল্ডওয়াইডএক্সআরের প্রধান নির্বাহী ক্লয়েড কণ্ঠশিল্পীদের আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে জীবিত কণ্ঠশিল্পীর খুব একটা দরকার নাও হতে পারে। তবে তিনি একইসঙ্গে মৃত অভিনেতা বা কণ্ঠশিল্পীদের দিয়ে কাজ করানোর বিষয়টিকে ‘গ্লাসের অর্ধেক পানি, বাকি অর্ধেক শূন্য’ এই পরিপ্রেক্ষিত থেকে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এআই দিনশেষে অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। যেমন প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারণে এই খাতে হলিউডে আরও জনবলের দরকার পড়বে।’
স্বত্ব কার?
হলিউডে প্রযুক্তির সাম্প্রতিক বিকাশে উদ্বিগ্ন ব্যক্তিরা প্রশ্ন তুলেছেন, মৃত শিল্পীদের অনন্তকাল ধরে ব্যবহার করা হলে সেক্ষেত্রে আর্থিকভাবে লাভবান হবে কে? মৃতদের কি কোনো স্বত্ব থাকবে? এসব প্রশ্নের জবাব এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে কেউ দিতে পারছেন না। স্বত্বের বিষয়ে আইন অস্পষ্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঞ্চলে এসব আইনের কোনো অস্তিত্ব নেই। সাধারণভাবে, যখন কোনো তারকাশিল্পীর মৃত্যু হয়, তখন তাকে প্রচারের স্বত্ব তার স্বজনরা পেয়ে থাকেন। ওই তারকার উইলে এ নিয়ে বিস্তারিত লেখা থাকে। উইল বিষয়ে মার্কিন আইনজীবী এরিক কান জানান, উইল সমস্যার সমাধান করে না। এর মধ্য দিয়ে স্বত্বের বিষয়টি ঠিক ফয়সালা হয় না। একজন মৃত তারকার ছবি বা তার মতো দেখতে কাউকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হলে কে লাভবান হবে তা সাধারণত উইলে উল্লেখ থাকে। কিন্তু উইলের সীমাবদ্ধতা আছে। এর আইনি ওজন খুব বেশি নয়। উইল একমুখী দলিল হওয়ায় এটিকে ঠিক চুক্তি বলা যায় না। ওই মৃত তারকার ছবি কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নির্ধারণ করেন উইল গ্রহীতা। হলিউডে হাতেগোনা কয়েকজন তারকাশিল্পী আছেন যারা মৃত্যুর পর তাদের চেহারার সাদৃশ্যের ব্যবহার সীমিত করেছেন উইলের মাধ্যমে। তাদের একজন রবিন উইলিয়ামস। অবশ্য তার মৃত্যুর ২৫ বছর পর এই সীমিতকরণের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।