দেশে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না: দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন নির্বাচন হবে না, হতে দেওয়া হবে না। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দিনের অবস্থা খারাপ দেশের অবস্থাও খারাপ। আপনারা একটা বিশ্বাস নিয়ে যেতে পারেন। এই বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচন এই সরকারের অধীনে হবে না। এ সময় নেতা কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং বিএনপি যে কর্মসূচি দিবে তাতে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।

গোটা জাতি কেয়ারটেকার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ মন্তব্য করে দুদু বলেন, কেয়ারটেকার প্রশ্নে সারা পৃথিবীই ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগ কি বলল, কি ভাবলো, কি করলো এই নিয়ে দেশবাসী কোন চিন্তা করে না।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ৯৪, ৯৫ এবং ৯৬ সালে দাবি করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তখন সংবিধানে কেয়ারটেকার ছিল না। তখন যদি শেখ হাসিনার মাথায় কেয়ারটেকারের ভূত না চাপতো, তাহলে এখন আমরা কেয়ারটেকার সরকারের দাবি করতাম না। সে সময় শেখ হাসিনা, জামায়াতে ইসলাম, জাতীয় পার্টি এবং বাম দলগুলো মি‌লে কেয়ারটেকার সরকারের দাবি করেছিল। তিনি (হাসিনা) বলেছিলেন, আমি আজীবন কেয়ারটেকার সরকারে বিশ্বাসী। আজ তিনি যেহেতু কেয়ারটেকার সরকার রাখতে চাচ্ছেন না তাই কেয়ারটেকার সরকারের জন্য বিএনপি'র বিরুদ্ধে যে আন্দোলন করেছিলেন তার জন্য জাতির কাছে তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। এই ক্ষমা চাওয়ার আগে সংবিধানের দোহাই দিয়ে তিনি জাতিকে বিভ্রান্ত করছে।

তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে অন্যায়ভাবে বন্দী করে রেখেছে। বিচারের নামে তার উপর প্রহসন করা হয়েছে। বিএনপি'র অ্যাক্টিং চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বিদেশে থাকতে বাধ্য করছে। তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান একটি সুনামধন্য পরিবারের সন্তান তি‌নি কোন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে, বিচার করে জেলখানায় ঢোকানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।