ওষুধ কোম্পানি বা তাদের মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের কাছ থেকে চিকিৎসকদের উপহার নেওয়ার প্রথা বন্ধে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারতের ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি)। শুধু তা-ই নয়, রোগীদের নামি-দামি ওষুধ কেনার পরামর্শও দিতে পারবেন না চিকিৎসকরা।
বলা হচ্ছে, এই নিয়ম না মানলে চিকিৎসা সনদ হারাতে পারেন চিকিৎসকরা। এছাড়াও মুখোমুখি হতে হবে শাস্তির।
এনএমসি জানিয়েছে, রোগীদের জন্য জেনেরিক ওষুধই লিখতে হবে। এড়িয়ে যেতে হবে ব্র্যান্ডেড জেনেরিক ওষুধগুলো। যদিও ২০০২ সালে মেডিকেল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার জারি করা নিয়মে এ নিয়ে কোনও শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়নি।
এক বিবৃতিতে এনএমসি জানিয়েছে, ভারতে ওষুধের ব্যয় কমানোর উদ্য়োগ নেওয়া হয়েছে। জেনেরিক ওষুধের দাম ব্র্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় ৩০-৪০ শতাংশ কম। ফলে জেনেরিক ওষুধগুলো স্বাস্থ্যসেবা খরচ কমাতে পারে। অন্যদিকে ব্র্যান্ডেড ওষুধ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো তৈরি করে এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি করা হয়। এসব ওষুধের দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই।
এনএমসির নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতিটি নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার স্পষ্টভাবে জেনেরিক ওষুধের নাম লিখবেন। যদি একটি নিয়ম লঙ্ঘন করা হয় তবে চিকিৎসককে সতর্ক করা যেতে পারে। পাশাপাশি নীতিশাস্ত্র অথবা পেশাদার প্রশিক্ষণের উপর একটি কর্মশালায় যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে।