সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় সিএনজিচালিত টেম্পু ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে তাড়াশ-সলঙ্গা সড়কে উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের কুঠিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবাসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একজন নিহত ও সাতজন আহত হয়েছে।
উল্লাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাঈম আহমেদ (১৯) সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিকের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি তাড়াশ পৌর সদরের ভাদাশ মধ্যপাড়া গ্রামে। আহত চারজনের মধ্যে তার বাবা মাজহারুল ইসলামও রয়েছেন। তিনি তাড়াশ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গতকাল সকালে নাঈম ও তার বাবা তাড়াশ থেকে সিএনজিচালিত টেম্পুতে চড়ে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যাচ্ছিলেন। পথে কুঠিপাড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে টেম্পুটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাঈমের মৃত্যু হয়।
এদিকে জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার বিকেলে গঙ্গাপ্রসাদ এলাকায় শহীদ ফিলিং পয়েন্টের সামনে বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোটরসাইকেল আরোহী হাসান (২৫) পাবনার আতাইকুলা থানার বনগ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে।
দেবিদ্বারে অ্যাম্বুলেন্স-অটোরিকশা সংঘর্ষে তরুণ নিহত : কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে দেবিদ্বার উপজেলার হোসেনপুর এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একজন নিহত ও সাতজন আহত হয়েছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। চালক ছাড়া হতাহত সাতজন একই পরিবারের সদস্য।
নিহত সাজ্জাদ শাওন (২৩) উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা ফারুক মিয়ার ছেলে। আহত আ. রব জানান, তারা দেবিদ্বারে এক আত্মীয়ের বাড়ি দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। গুরুতর আহত শাওন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। আহতদের মধ্যে একজন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে এবং দুজন কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।