দুর্ঘটনা রোধে নৌযানের দক্ষ মাস্টার ও ড্রাইভার তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার ১৫ বিশিষ্ট নাগরিক।
অভ্যন্তরীণ মাস্টারশিপ ও ড্রাইভারশিপ পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার এবং অবিলম্বে দুটি পরীক্ষা বোর্ড বিলুপ্ত করে নতুন বোর্ড গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। গতকাল মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করে পরীক্ষা বোর্ড গঠন এবং নতুন বোর্ডে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত না করারও দাবি জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অদক্ষ চালকের কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বর্তমান মাস্টারশিপ ও ড্রাইভারশিপ পরীক্ষা পদ্ধতি মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। উভয় ক্ষেত্রে মাত্র ২০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় ২০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকে এবং প্রশ্নপত্রে টিকচিহ্নের মাধ্যমে উত্তর দিতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় একজন মাস্টার কিংবা একজন ড্রাইভারের যোগ্যতা নির্ধারণ আদৌ সম্ভব নয়।
বিবৃতিদাতারা হলেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন, শিশু সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুর রহমান সেলিম, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবেশবিদ প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হারুনুর রশীদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিতরঞ্জন দে, নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষাজাতীয় কমিটির সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া, নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বাবুল, জ্যেষ্ঠ নৌ-প্রকৌশলী মো. আবদুল হামিদ, শিশু সংগঠক তাহমিন সুলতানা স্বাতি, দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম, প্রভারটি ইমুলিনেশন অ্যাসিস্ট্যান্স সেন্টার ফর এভরিহোয়্যারের (পিস) নির্বাহী পরিচালক ইফমা হুসেইন, আলোকিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি বাপ্পিদেব বর্মণ,
পুরান ঢাকা নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন ও জনলোকের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম সুজন।