প্রায় ৭৮ বছর পর গ্রিক দ্বীপ কোশেতে চালু হয়েছে কাল শালোমে সিনাগগ। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস এবং গ্রিক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছে তুরস্কের ইহুদি সম্প্রদায়। শুধু তা-ই নয়, পুনর্মিলন ও সহাবস্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে আরও একটি আবেদন করেছে তারা। সেটা হলো, একই এলাকায় অবস্থিত জরাজীর্ণ কোস মসজিদ সংস্কারের অনুমতি চেয়েছে।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোশে দ্বীপে নাৎসি দখলদারিত্বের সময় আউশউইৎস ডেথ ক্যাম্পে ইহুদিরা মর্মান্তিক গণহত্যার শিকার হয়। এরপর প্রায় আট দশক ধরে বন্ধ ছিল কাল শালোম সিনাগগ। তাই উপাসনালয়টি পুনরায় চালু করা শুধুমাত্র নির্মম স্মরণীয় মুহূর্তগুলো চিহ্নিত করে না। বরং এটি সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের প্রতীক হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
এদিকে এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোস মসজিদের ছবিসহ একটি অনুরোধ জানিয়েছে ইহুদিরা। তারা লিখেছে, আমরা কাল শালোম সিনাগগের পুনরুজ্জীবনের সাক্ষী হয়ে আনন্দে ভরা হৃদয় নিয়ে দ্বীপে পৌঁছেছি। কিন্তু কোস মসজিদের ভগ্নদশা দেখে ব্যথিত হয়েছি। এ সময় তারা মসজিদটি সংস্কারে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
তুর্কির ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (একে) পার্টি মুখপাত্র ওমের চেলিক বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন অংশে পবিত্র কোরআন এবং সমস্ত পবিত্র গ্রন্থের ওপর ফ্যাসিবাদী আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। ফলে আমাদের ইহুদি সম্প্রদায়ের পদক্ষেপটি সমগ্র বিশ্ব এবং ইউরোপের প্রতি একটি মূল্যবান বার্তা দিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বসার জায়গা নিয়ে মেট্রো রেলে একে অপরের চুল টানলেন নারীরা