তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি যে নির্বাচন বর্জনের হুমকি দেয়, তাতে কিছু আসে-যায় না। তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচন বর্জন করেছিল, জনগণ বর্জন করেনি। ৫০ শতাংশের বেশি ভোট মানুষ দিয়েছে। নির্বাচন বর্জন করার অধিকার তাদের অবশ্যই আছে। কিন্তু যদি কেউ নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করে, এ দেশের মানুষ কঠোর হস্তে তা দমন করবে।
সেই সঙ্গে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি ২০১৪ সাল নয়, এটি ২০২৩ কিংবা ২০২৪ সাল। সুতরাং এখন ওই ২০১৩-২০১৪ সালের অরাজকতার পুনরাবৃত্তির অপচেষ্টা দেশের মানুষ করতে দেবে না।’ গতকাল রবিবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আইভি রহমান পরিষদ আয়োজিত ‘গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। আইভি রহমান পরিষদের আহ্বায়ক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় বক্তব্য দেন।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার জন্য বিএনপির নেতাদের দায়ী করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকা- ঘটিয়েছে মোশতাক এবং জিয়া আর ২১ আগস্টের হত্যাকা- ঘটিয়েছে তারেক জিয়া। তারা আসলে হত্যার রাজনীতিটাই করে। হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই জিয়াউর রহমানের উত্থান এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এই হত্যা সে অব্যাহত রেখেছিল। তার বিরুদ্ধে যখনই সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে, তখনই নির্বিচারে সেনাবাহিনীর অফিসার এবং জওয়ানদের হত্যা করা হয়েছিল।’