প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি আবারও দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে চাইছে। জনগণের ভোটাধিকার নস্যাতে বিএনপির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত ছাত্রসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে এই ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করে ছাত্রলীগ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন তাদের (বিএনপির) উদ্বেগের বিষয় নয়, কারণ তারা আবারও জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাইছে।’
২০০৮ সালের নির্বাচনেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে ৩০টি আসন পেয়েছিল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের এ কথাটা জনগণকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে, ওরা ভোট করতে আসেনা এবং ভোটও পায় না। কারণ ওরা তো জঙ্গিবাদী, লুটেরা, সন্ত্রাসী। মানুষের শান্তি ও সম্পদ ওরা কেড়ে নেয়। মানুষের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়। ঘরবাড়ি কেড়ে নিয়ে সেখানে পুকুর কেটে কলাগাছ লাগিয়ে দিতেও আমরা তাদের দেখেছি। কাজেই লুটেরা, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদে বিশ্বাসীরা মানুষের কোন কল্যাণ করতে পারে না।
বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিছুই তাদের ভালো লাগে না। কিছুই তারা দেখে না। তাদের চোখ অন্ধ। আধুনিক চক্ষু ইনস্টিটিউট করেছি। আধুনিক সব যন্ত্রপাতি। আমি নিজেও সেখানে চোখ পরীক্ষা করাই। যারা উন্নতি দেখে না, তারা ১০ টাকা টিকিট কেটে চোখ দেখাক। আসলে তাদের মনের দরজাই অন্ধকার। তারা পরাজিত শক্তির পদলেহনকারী। হাওয়া ভবন করে খেতে পারছে না বলেই বিএনপির দুঃখ।’