‘যমুনায় বিলীন হচ্ছে ঈদগাঁহ-কবরস্থান, বসতভিটা-আবাদি জমি’ শিরোনামে দৈনিক দেশ রূপান্তরের অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
শুক্রবার বিকাল থেকে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাটিতাপাড়া এলাকায় ১০১ মিটার ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গত কয়েক সপ্তাহে যমুনার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন যমুনা নদীর পূর্বপাড়ের হাজারো মানুষ। ভাঙন কবলিত স্থান ঘুরে দেখা যায়, চলতি বছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় ভাঙনে চোখের সামনে নিমিষেই নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে পাটিতাপাড়া এলাকার ঈদগাঁহ-কবরস্থান, বসতভিটা-আবাদি জমিসহ নানা স্থাপনা। ফলে নির্ঘুম রাত কাটছে ভাঙনকবলিত এসব মানুষের। অবশেষে ভাঙনরোধে কাজ শুরু করেছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন বলেন, ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি। এর আগেও ৭৮৩ মিটার এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। এখনও ১০১ মিটার জায়গায় জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়াও নদী ভাঙনে যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছে তাদের তালিকা করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদেরও সহযোগিতা করা হবে। স্থায়ী বাঁধের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন দিয়েছি। অনুমতি পেলে শুকনা মৌসুমে স্থায়ী বাঁধের কাজ শুরু করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কিছুদিন আগে আমরা যমুনা নদীর পূর্বপাড়ে ভাঙনরোধে কয়েক দফায় জিওব্যাগ ফেলেছি। এখন পাটিতাপাড়ায় ১০১ মিটার ভাঙনকবলিত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরো জিওব্যাগ ফেলা হবে।