নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে জেলা জামায়াতের আমির মো. মমিনুল হক সরকারসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাঞ্চন ইউনিয়নের কেরাবোর দেওয়ান বাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ওই ১৫ জনকে আসামি রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।
জেলা জামায়াতের আমির ছাড়া গ্রেপ্তার অন্যরা হলেনÑ রূপগঞ্জ থানার সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম, রূপগঞ্জ থানা জামায়াতের সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক, ভোলাব চারিতালুক এলাকার দেলোয়ার হোসেন, দেবই এলাকার রকিবুজ্জামান, কাজিরবাগ এলাকার জাকির হাসান, টাওড়া এলাকার শহিদুল্লাহ, চারিতালুক এলাকার শহিদুল্লাহ, কালনী এলাকার মজিবুর রহমান, কাঞ্চন এলাকার আব্দুস সাত্তার, বাঘবেড় এলাকার মোহাম্মদ ইস্রাফিল, কাঞ্চন এলাকার ওসমান আলী খান, বৈলদা এলাকার নূর আলম, তিন ওলুপ এলাকার শহিদুল্লাহ, বাঘবেড় এলাকার খায়রুল ইসলাম।
ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান জানান, জামায়াতের নেতাকর্মীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র ও নাশকতার সৃষ্টির প্রস্তুতি নিচ্ছেনÑএ খবর পেয়ে কেরাব এলাকায় দেওয়ান বাড়ির মসজিদের সামনে গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় জেলা জামায়াতের আমির মমিনুল হকসহ ১৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে চারটি মোটরসাইকেল, ২০টি ককটেল, ২৪টি বাঁশের লাঠি, আটটি ইসলামিক বই উদ্ধার করা হয়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ১৫ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার আমির মো. মমিনুল হক সরকার ও অ্যাডভোকেট ইস্রাফিলসহ ১৫ নেতাকর্মীকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কেরাব এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা কর্মপরিষদ সদস্যদের এক জরুরি বৈঠকে এ গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় এবং অনতিবিলম্বে নেতাদের মুক্তির দাবি জানানো হয়।