স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথমবারের মতো একযোগে দেশে মুক্তি পেয়েছে হিন্দি সিনেমা। তবে অনেকেই দেশে হিন্দি সিনেমা নিয়ে আসার ঘোর বিরোধিতা করেছেন। তবে সেটা এখন থেকে নয়, বহু বছর ধরেই। তাদের মতে, হিন্দি সিনেমা একই দিনে মুক্তি পেলে দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি হুমকির মুখে পড়বে। তবে হল বাঁচিয়ে রাখার যুক্তিতে ভারতীয় সিনেমা মুক্তির বিষয়ের পক্ষে অবস্থান হল মালিকদের।
দেশে জওয়ান মুক্তির পর এসব প্রসঙ্গ নতুন করে উঠে আসে। তবে এসব বিষয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট কর্ণধার অনন্য মামুন জানান, যারা এমন কথা বলছেন, তারা তাদের ব্যক্তিগত মতামত দিচ্ছেন। বিষয়টি আসলে এমন নয়। দেশে হিন্দি সিনেমা এলে প্রতিযোগিতা বাড়বে, হিন্দি সিনেমা চালানোর জন্য হলের পরিবেশ ও গুণগত মান উন্নত হবে; তখন দেশের সিনেমারও দর্শক বাড়বে। বিষয়টি তো এমনও নয় যে, দেশের দর্শকরা হিন্দি সিনেমা দেখছেন না। তারা দেখছেন। বরং ওটিটিতে দেখলে বিপুল অঙ্কের টাকা বাইরে চলে যাচ্ছে। আমদানি করলে বিপুল অঙ্কের টাকা ট্যাক্স পাচ্ছে দেশ। সামগ্রিকভাবে আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো কনটেন্ট বানাতে ও বড় কিছু করতে হলে মানসম্মত সিনেমা দরকার। হিন্দি সিনেমা সেই অভাব পূরণ করতে পারে। টাকায় টাকা আনে বলে একটা কথা আছে।
তিনি আরও বলেন, সিনেমা হলে যখন টাকা উঠে আসবে তখন এ খাতে ঠিকই বিনিয়োগ বাড়বে। হিন্দি সিনেমা সেই পথ খুলে দিতে পারে। সরকার কিন্তু পরীক্ষামূলকভাবে দুই বছরের জন্য উপমহাদেশের সিনেমা আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। দুই বছর পরে কী হবে আমরা এখন বলতে পারছি না। দুই বছর চলার পর বোঝা যাবে হিন্দি সিনেমা আমদানি করাটা সিনেমা হলের জন্য কতটা উপকারে আসতে পেরেছে।