চাকরি খোঁজার আগে যা করবেন

চাকরি তো খুঁজছেন অনেক দিন। কিন্তু পছন্দসই চাকরি মিলছে না। তাহলে এবার চাকরি খোঁজার আগে কিছু বিষয় শিখে নিন। তাহলে সহজেই পেয়ে যাবেন আপনার কাক্সিক্ষত চাকরি।

চাকরির বিজ্ঞাপন দেখেই সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপ্লাই না করে আগে কোম্পানি সম্পর্কে একটু রিসার্চ করে নিন। কোম্পানির ভিশন, কালচারের সঙ্গে আপনি কতটা একমত, তা অ্যাপ্লিকেশনে স্পষ্ট করে জানান। 

বায়োডাটা আপডেটেড রাখুন। চাকরির নিয়মনীতি ভালো করে পড়ে দেখুন। বুঝতে পারবেন নতুন চাকুরেদের মধ্যে তারা কী খুঁজছেন। আপনার অ্যাপ্লিকেশনে সেই দক্ষতাগুলো হাইলাইট করুন।

অনেক চাকরিতে কভার লেটার চায়। আপনি কেন ওই নির্দিষ্ট চাকরির জন্য আদর্শ বা আপনি কতটা উদ্যমী, সেটা কভার লেটারে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করুন। চাকরির কাজের পাশাপাশি অন্য কোনো কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অবশ্যই তা মেনশন করুন।

অনেক কর্মপ্রতিষ্ঠানই কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়ার (পার্সোনাল এবং প্রফেশনাল) ওপর নজর রাখেন। তাই এমন কিছু আপলোড করবেন না, যা আপনার বায়োডাটা বা কোম্পানির চোখে আপনি নিজের যে ইমেজ তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তার বিরোধিতা করে। নয়তো প্রাইভেসি সেটিংস চেক করে রাখুন, যাতে সবাই আপনার পেজের সব কনটেন্ট দেখতে না পায়।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কমন ইন্টারভিউ প্রশ্নের উত্তর দিন। নিজের পরিচয় কীভাবে দিতে হয়, আপনি কেন ওই পদের জন্য আদর্শ, শেষ চাকরির বিগেস্ট অ্যাকম্প্লিশমেন্ট কী, কত স্যালারি এক্সপেক্ট করেন, পাঁচ বছর বাদে নিজেকে কোথায় দেখতে চান... এ ধরনের প্রশ্ন প্রায় সব ইন্টারভিউতেই করা হয়। যতটা সম্ভব ক্রিস্প এবং টু দ্য পয়েন্ট উত্তর তৈরি করে রাখুন।

অ্যাপ্লাই করার পর সপ্তাহখানেক অন্তর ফলোআপ করুন। ইন্টারভিউ দেওয়ার পর এমপ্লয়ারকে থ্যাঙ্ক ইউ নোট লিখতে পারেন। কনট্যাক্ট নম্বর আপডেটেড রাখুন, যাতে সহজে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।

হয়তো চাকরি খুঁজতে গিয়ে দেখলেন, যে ধরনের চাকরি খুঁজছেন তার কিছু স্কিলস আপনার মধ্যে নেই। যদি এ রকম কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্কিলসের অভাব থাকে, সে ক্ষেত্রে নিজেকে আপডেট করাও জরুরি। প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইটে এমন লোকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, যারা একই ফিল্ডে রয়েছেন। তাদের থেকেও টিপস নিন। নেটওয়ার্কও বাড়বে এবং নতুন আইডিয়াও পাবেন।