শুরু হলো মিস এভারগ্রিন বাংলাদেশ

গত শুক্রবার অডিশন রাউন্ডের মাধ্যমে শুরু হলো নতুন একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা মিস এভারগ্রিন বাংলাদেশ। গুলশানের পাঁচ তারকা হোটেল সিক্স সিজনে বসেছিল এই আয়োজন। দেশে এখন প্রায়শই ছোট-বড় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগই কখন শুরু হয়, কখন শেষ হয় কেউ জানতেও পারে না সেভাবে। কিন্তু মিস এভারগ্রিন বাংলাদেশের আয়োজক দেশীয় পোশাকের নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড ম্যাকয়-এর কর্ণধার ও ফ্যাশন ডিজাউনার মেজবাউল আলম সাজু শুরু থেকেই বড় পরিসরে এই আয়োজনটি শুরু করলেন। মেজবাউল আলম সাজু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অন্যান্য প্রতিযোগিতার মতো এখানে শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেওয়া হবে না। একটি মেয়ের ভেতরের সৌন্দর্য ও শক্তি কতখানি সেটিকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

প্রথম পর্বেই বিচারকের আসন অলংকৃত করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, ছোট ও বড়পর্দার মেধাবী দুই অভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাস ও জ্যোতিকা জ্যোতি, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কর্ণিয়া, মডেল অন্তু করিম ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নৃত্য পরিচালক ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। পুরো আয়োজন উপস্থাপনা করেন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড প্রোমোটার বারিশ হক। সারা দেশ থেকে অসংখ্য আবেদনকারীর মধ্য থেকে ছবি, ভিডিও ও বায়োডাটা দেখে ১২০ জনকে বাছাই করা হয় অডিশনের জন্য। তার মধ্য থেকে বিচারকরা ৩৫ জনকে প্রাথমিকভাবে ইয়েস কার্ড দিয়েছেন। তারমধ্যে দুজন ট্রান্সজেন্ডার ও একজন শারীরিক প্রতিবন্ধীও রয়েছেন। বিচারকাজ শেষে প্রতিজন বিচারক এই আয়োজনের দারুণ প্রশংসা করেন। তারা আয়োজকের কাছ থেকে কোনো রকম চাপ ছাড়াই শুধু মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করেছেন। নির্বাচিত ৩৫ জন মেয়েকে সুচারুরূপে গ্রুমিং করাবেন জনপ্রিয় র‌্যাম্প মডেল ও কোরিওগ্রাফার বুলবুল টুম্পা। অডিশন পর্ব থেকে শুরু করে গ্র্যান্ড ফিনালে পর্যন্ত পুরো আয়োজন দেখা যাবে এটিএন বাংলার পর্দায়।