অবৈধ দুটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ

অনুমোদন না থাকা ও ডেঙ্গুসহ অন্যান্য পরীক্ষায় সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ায় রাজধানীর দুটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল সোমবার অভিযান চালিয়ে এ দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল রাজধানীতে দুটি অভিযান পরিচালনা করে। এর মধ্যে ভাটারার ছোলমাইদ এলাকার মমতাজউদ্দিন কাঁচাবাজারসংলগ্ন ভাটারা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড নার্সিং ইনস্টিটিউট লিমিটেড এবং ভাটারার সাইদ নগর অটোস্ট্যান্ড এলাকার নতুন বাজারে থ্রিডি ডায়াবেটিক কেয়ার অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দুটি অভিযানের মধ্যে ভাটারায় নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মেডিকেল বোর্ড অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক) ডা. মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা দুটি প্রতিষ্ঠানে গিয়েছিলাম। দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি। একটি ভাটারা জেনারেল হাসপাতাল। তাদের কোনো অনুমোদন নেই। তারা সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে ডেঙ্গু টেস্টসহ অন্যান্য টেস্ট করছে। এটা প্রতারণার সামিল। আরেকটা হলো থ্রিডি ডায়াবেটিক সেন্টার। এদেরও কোনো লাইসেন্স বা অনুমোদন নেই। অথচ তারা ইসিজি, সুগার টেস্ট করে। অন্যান্য কিছু অ্যাডভান্স টেস্টের জন্য তারা রোগীর থেকে নমুনা নিয়ে অন্য সেন্টার থেকে করায়। দ্য মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেজল্যুশন) অর্ডিনেন্স, ১৯৮২-তে বলা আছে, যেখানে টেস্ট করা হয়, সেগুলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার। আর ডায়াগনস্টিক সেন্টার হলে আমাদের লাইসেন্স নিতে হবে। তারা টেস্ট করে।