জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরকে সাইবার নিরাপত্তা আইন ভালো করে পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আইনমন্ত্রী বলেছেন, পড়লে দুইটা জিনিস দেখতে পাবেন। সাইবার নিরাপত্তা আইনে বাংলাদেশ প্যানেল কোর্টে যেসকল অপরাধ ছিল সেইগুলি আছে। তার সাথে টেকনিক্যাল অপরাধগুলি যোগ করা হয়েছে। আর প্যানেল কোর্টে যেসব অপরাধগুলো আছে সেইগুলোকে জামিনযোগ্য করে দেওয়া হয়েছে। এখানে এমন কোনো কথা নাই যেখানে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কসবা হাবিবুল ইসলাম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের একতলা বিল্ডিংয়ের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, সাইবার সিকিউরিটি আইন করা হয়েছে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে। তার এই বক্তব্যের প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা আইনে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয় নাই। মার্শাল ল জারি করে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করেছিল জিয়াউর রহমান ও জিএম কাদেরের ভাই এরশাদ।’
বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মহানুভবতায় বেগম খালেদা জিয়া দণ্ডিত হওয়ার পরও তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে দুটি শর্তে মুক্ত করা হয়েছে। তিনি সেই দুই শর্ত মেনে নিয়েই মুক্তি পেয়েছেন এবং আজকেও তিনি সঠিকভাবে চিকিৎসা পাচ্ছেন। এখন বিদেশে গেলেই ওনার অবস্থা ভাল হবে এ রকম কথা আমি ঠিক জানি না। আমি এটুকু বলতে পারি, তার যেই দরখাস্ত সেটা আগেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এখন নতুনভাবে আর কিছু করার নাই। তিনি এখানে চিকিৎসা পাচ্ছেন এবং সেই চিকিৎসাই তাকে গ্রহণ করতে হবে।’