জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধান করে ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে প্রতিবেদন দিতে হবে। যেন অক্টোবরের শুরু থেকেই সাইটটি পুরোদমে সক্রিয় হয়।
দেশের সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে ইতিপূর্বে ঘোষিত ৩৪টি ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচারগুলোর (সিআইআই) গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ে এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রবিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক।
বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোগুলোর বিভিন্ন সাইবার নিরাপত্তা ইস্যু, সিআইআই প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলকাঠামো, আইসিটি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, নিয়মিত আইটি অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন, সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার (এসওসি), নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) গঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেসগুলোর (এপিআই) সমস্যা সাত দিনের মধ্যে সমাধান করে ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে প্রতিবেদন পাঠানো। সিআইআই প্রতিষ্ঠান-প্রধানদের অংশগ্রহণে পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষ সভার আয়োজন করা।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমার, ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. মুশফিকুর রহমান, বিজিডি ই-গভ সার্টের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল আলম খানসহ ৩৪টি সিআইআইয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।