কুয়াকাটায় জনপ্রিয় হচ্ছে ‘লিটনের বাটি‘

কুয়াকাটায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে লিটনের বাটি খাবার। ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বাড়ির খাবারের মতো খাবার পাওয়া যাচ্ছে লিটনের বাটি খাবারে। আর স্বল্প খরচে মানসম্মত খাবার পাওয়ায় খুশি ক্রেতারা।

নাগরিক কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে প্রকৃতির কাছে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় ছুটে আসছে দেশি-বিদেশি হাজারও পর্যটক। ভ্রমণে আসা পর্যটকরা বঙ্গোপসাগরের বিশাল বিশাল ঢেউয়ে গা ভিজাচ্ছে। আর কেউ বালিয়াড়িতে প্রিয়জনের হাতে হাত রেখে পায়ে পা মিলিয়ে হেঁটে বেড়ান। অনেকে আবার বেঞ্চে বসে উপভোগ করেন প্রকৃতি। আর আগত পর্যটকদের সেবা দিতে সব সময় ব্যস্ত সময় পার করতে হয় ব্যবসায়ীদের।

কুয়াকাটা সাগর পাড়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহীন খলিফা বলেন, লিটনের বাটির খাবার আসার আগে দুপুরের খাবার খেতে বিভিন্ন ব্যবসায়িকে গুনতে হতো বাড়তি অর্থ। এখন আর বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হয় না।

সাগর পাড়ের ক্যামেরাম্যান রুবেল বলেন, সাগর পাড়ে পর্যটকদের সুখ ও আনন্দের স্মৃতি ধরে রাখতে তারা কাজ করে। এই কাজ করে তাদের সংসার চলে। স্বল্প আয়ের মধ্যে দুপুরের খাবারও খাওয়ার সময় পায় না। তবে লিটনের বাটির খাবার আসায় এখন আর তাদের না খেয়ে থাকতে হয় না।

গ্রিন ট্যুরিজমের পরিচালক বলেন, সাড়ে ৪ বছর আগে ১০ বাটি খাবার দিয়ে এই ব্যবসা তিনি শুরু করে। বাড়ির খাবারের মতো লিটনের বাটি খাবারে স্বাদ দেওয়ায় জনপ্রিয়তা লাভ করছে। গুনগতমান ঠিক রাখা ও স্বল্পমূল্য রাখায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পর্যটকরাও ভিড় করছে এ দোকানে।

লিটন খান বলেন, শুরুর দিকে ভর্তা, ডাল, সাদা ভাত, মাছ দিয়ে ৫০ টাকা আর ভর্তা, ডাল, সাদা ভাত গরুর মাংস দিয়ে ৭০ টাকায় বিক্রি হতো। এরপরে যখন পণ্যমূল্য বাড়তে শুরু করে তখন ভর্তা, ডাল, সাদা ভাত, মাছ দিয়ে ৬০ টাকা আর ভর্তা, ডাল সাদা ভাত মুরগির মাংস দিয়ে ৭০ টাকা আর ভর্তা, ডাল, সাদা ভাত ও গরুর মাংস দিয়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তখন থেকেই এই দাম আছে।

কম খরচে দুপুরের খাবার দেওয়ায় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি এখন পর্যটকরাও ভিড় করছেন এই দোকানে। এভাবেই এগিয়ে চলছে স্বল্পমূল্যে খাবার লিটনের বাটির খাবারের ব্যবসা।