ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি রোমাঞ্চ ও উত্তেজনা। বিশ্বকাপেও দেখা হবে চির প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দলের। তাই আলোচনায় বারবারই আসছে এই লড়াই। পাকিস্তানের বোলিং গ্রেট ওয়াসিম আকরাম অবশ্য এই আলোচনায় শামিল হলেন একটু অন্যভাবে। তিনি জানালেন, তার চোখে সর্বকালের সেরা ভারত-পাকিস্তানের সম্মিলিত ওয়ানডে একাদশ।
অবাক করার মতো হলেও সত্যি যে, সময়ের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন বাবর আজমকে নিজের পছন্দের একাদশে রাখেননি আকরাম। এমনকি নিজেকেও এই দলে রাখেননি ‘সুলতান অব সুইং’ খ্যাত এই পেসার।
আকরাম পছন্দের একাদশে ওপেনার হিসেবে রেখেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান সাঈদ আনোয়ার ও ভারতের সাবেক আগ্রাসী ক্রিকেটার বিরেন্দ্র শেবাগকে। ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বরে আছেন লিটল মাস্টার শচিন টেন্ডুলকার। অনেকের চোখে সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন এই ভারতীয়।
চার নম্বরে আকরাম রাখেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিঁয়াদাদকে। পাকিস্তানের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে। মিঁয়াদাদের পর ৫ নম্বরে আকরামের পছন্দ সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে।
অলরাউন্ডার হিসেবে আকরাম রেখেছেন নিজের সাবেক অধিনায়ক এবং কিংবদন্তি ইমরান খানকে। ইমরানকে ছাড়া আকরাম কোনও দল করবেন, সেটি অবশ্য ভাবাও যায় না। ইমরানের নেতৃত্বেই ১৯৯২ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান, যে দলের একজন ছিলেন আকরাম।
আকরামের সেরা একাদশের সাত নম্বরেও ভারতের বিশ্ব জয়ী অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার কপিল দেব। আশির দশকে একে অপরের সঙ্গে লড়তেন ইমরান-কপিল। নিজের একাদশে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড অবশ্য ইমরানকে দিয়েছেন আকরাম।
কিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে আকরামের পছন্দ আরেক বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক, ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার নেতৃত্বে ২০১১ বিশ্বকাপে শিরোপা জিতেছিল ভারত। আকরামের স্বপ্নের দলে একমাত্র স্পিনার পাকিস্তানের সাকলায়েন মুশতাক। পেস জুটি হিসেবে আছেন ভারতের জাশপ্রিত বুমরা ও ওয়াকার ইউনিস। ওয়াকার ছিলেন তার সময়ের অন্যতম সেরা পেসার। আকরামের সঙ্গে তাঁর বোলিং জুটি পরিচিত ছিল ‘টু ডব্লিউস’ নামে।
আকরামের ভারত ও পাকিস্তানের সম্মিলিত সেরা একাদশ: সাঈদ আনোয়ার, বিরেন্দ্র শেবাগ, শচিন টেন্ডুলকার, জাভেদ মিঁয়াদাদ, বিরাট কোহলি, ইমরান খান (অধিনায়ক), কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, সাকলায়েন মুশতাক, জাশপ্রিত বুমরা, ওয়াকার ইউনিস।