ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের আকস্মিক হামলায় ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫০ জনে। এছাড়া হামাসের ভয়াবহ এই হামলায় আহত হয়েছে আরও প্রায় ১৬০০ ইসরায়েলি।
রোববার (৮ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকে ইসরায়েলে শুরু হওয়া হামাসের অতর্কিত হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।
রবিবার এক ব্রিফিংয়ে, আইডিএফ মুখপাত্র রিয়ার অ্যাড. ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, "এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে ইসরায়েলি জনগণের উপর হামলা বন্ধ করা এবং গাজা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ করা।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার জবাবে গাজায় হামাসের আস্তানা ধ্বংসস্তুপে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এনডিটিভি জানায়, সারা রাত ধরে, ইসরায়েলের অন্তত ২২টি স্থানে ইসরায়েলি বাহিনী এবং শত শত হামাস যোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র বন্দুকযুদ্ধ হয়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে অন্তত দুটি এলাকা বন্দুকধারীরা জিম্মি করে রেখেছে।
সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, "হামাসের যোদ্ধারা হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ফলে ইসরায়েলে বন্দুকের গুলিতে বা এক হাজারেরও বেশি ব্যক্তি এবং রকেটের আঘাতে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া কয়েক ডজন বেসামরিক নাগরিক এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) সৈন্যদের আটক করে গাজায় নিয়ে গেছে হামাস। গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন সশস্ত্র গোষ্ঠীটি বলছে, “আটক ইসরায়েলিদের সংখ্যা ইসরায়েল যা জানে তার চেয়েও অনেক বেশি।“
এর আগে শনিবার ভোরে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হাজার হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হামাস, এ ছাড়া এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিরাপত্তাবেষ্টিত সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে ঢুকে পড়ে। হামাসের সাথে ইসরায়েলের হামলা-পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে অন্তত তিন শতাধিক এবং গাজা উপত্যকায় ২৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।