অনেকেই বলেন, ব্যস্ততার কারণে বই পড়তে সময় পান না। কিন্তু ব্যস্তময় এই জীবনে কীভাবে সময় বের করে বই পড়বেন, উপায়গুলো জেনে নিন।
দিনের মধ্যে অনেকটা সময় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ে স্টেটাস আপডেট এবং প্রোফাইল দেখে নষ্ট করেন। দিনের মধ্যে যে পাঁচ মিনিট ফেসবুক বা টুইটারে কাটান, সেই পাঁচ মিনিটে বরং পছন্দের বইটির দুপাতা পড়ে ফেলুন। দেখবেন দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ পাতা বই পড়া হয়ে গিয়েছে।
সবসময় বই হাতে নিয়ে ঘোরাও সম্ভব নয়। তাহলে যদি বই আপনার একান্ত প্রিয়ই হয় তবে ই-বুক রিডারও কিনতে পারেন। ফোন, ট্যাব বা ই-বুক রিডারে সেভ করে নিন পছন্দের বইটি। রাস্তায় যেতে আসতে চোখ বুলিয়ে নিন ই-বুকের পাতায়। আর যদি নিজেই গাড়ি চালান, তাহলে অডিও সিস্টেমে গান বা রেডিও না শুনে বরং চালিয়ে দিন অডিও বুক।
যার বই পড়ার অভ্যাস আছে এমন একজনকে খুঁজে নিন। দুজনের বই পছন্দ যদি একই ধারার হয়, তাহলে চেষ্টা করুন এক সময়ে একই বই দুজনে পড়ার। পরে সেই বই নিয়ে আলোচনা করুন। দেখবেন বই পড়ার উৎসাহ আরও বেড়ে যাবে।
সারাদিন যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, ঘুমাতে যাওয়ার আগে আধা ঘণ্টার জন্য চোখ বুলিয়ে নিন পছন্দের বইতে। বাড়ির সদস্যদের মধ্যে যদি কারও আপনার মতো বই পড়ার অভ্যাস থাকে তাহলে দুজনে মিলে একসঙ্গে পছন্দের বই পড়তে পারেন। এতে একদিকে যেমন না-পড়া বইয়ের তালিকা কমতে থাকবে তেমনি আনন্দ নিয়ে বই পড়তে পারবেন।
অনেকেই আছেন নিজেকে সময় দিতে পারছেন না। তারা নিজেকে প্যাম্পার করতে প্রিয় বই আর সঙ্গে এক মগ কফি নিয়ে চলে যান বাড়ির ছাদে। পছন্দের কফি চুমুক দিতে দিতে পাতা ওল্টান পছন্দের বইয়ের। নিজেকে সময় দেওয়া ও বই পড়া দুটোই চলবে এক সঙ্গে।