জ্বালানির স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্বাচনের পর

আন্তর্জাতিক বাজার অনুযায়ী দেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, অর্থ বিভাগ বিষয়টি বিবেচনা করবে কখন থেকে এ ফর্মুলা কার্যকর হবে। নির্বাচনের পরও হতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে স্মার্ট গ্রিড নিয়ে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অন্য এক প্রশ্নে নসরুল হামিদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে কিছু হলে জ¦ালানি তেলের সংকট দেখা দেয়। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এখনো বড় প্রভাব ফেলেনি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে চিন্তা থেকেই যায়। কারণ জ্বালানি তেলের বিকল্প উৎস সেভাবে নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সঞ্চালন ব্যবস্থায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গেলে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়। স্মার্ট গ্রিড এসব সমস্যার সমাধান দেবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তিন-চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ¦ালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে, পিজিসিবি কি প্রস্তুত? আমার মনে হয় পিজিসিবি জানেই না। বৈদ্যুতিক যানবাহন আসবে, তারা বিভিন্ন জায়গা চার্জ দেবে। পরমাণু বিদ্যুৎ আসছে। এসব বিষয়ে আগাম প্রস্তুত নিতে হবে। সঞ্চালন ব্যবস্থা স্মার্ট হতে হবে। বিদ্যুৎ খাতকে নিরাপদ করবে স্মার্ট গ্রিড।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যুতের নানারকম সমস্যা হয়, আমরা সেগুলো “ট্রাডিশনাল ওয়েতে” সমাধান করি। কিন্তু উন্নত বিশ্ব ট্রাডিশনাল ওয়েতে করে না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, পিজিসিবির ট্রান্সফরমারে আগুন লাগল, আমি জানতে চাইলাম কবে মেরামত করা হয়েছে। এমডি জানালেন স্যার দেখতে হবে। খোঁজ নিয়ে জানালেন অনেক আগে লাইফ শেষ হয়েছে। পরিবর্তন না করার কারণ জানালেন খেয়াল করা হয়নি। বিদ্যুৎ খাত বড় হচ্ছে, এভাবে চললে হবে না।