মৎস্যজীবীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে

মৎস্য খাতের সরবরাহ চেইনে জড়িত সব শ্রমিককে শ্রম আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এর মাধ্যমে তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাগুলো প্রদান করতে হবে। বছরের একটা দীর্ঘ সময় সামুদ্রিক মৎস্য শ্রমিকদের কর্মহীন থাকতে হয়। কিন্তু এ সময়ে যে অনুদান প্রয়োজন তা তাদের দেওয়া হয় না। আবার একটি বড় অংশ অনুদান থেকে বঞ্চিত হন। সার্বিকভাবে তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত ‘মৎস্যজীবীদের আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা : প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিলসের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোস্তাফিজ আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বিলসের উপদেষ্টা ও জাতীয় মৎস্য শ্রমিক অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক নইমুল আহসান জুয়েল।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মনোয়ারা বেগম বলেন, শ্রম আইনে কৃষিজীবীরা যুক্ত আছেন। এর মধ্যে মৎস্যজীবীও পড়েন। ডেটাবেজ তৈরির জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। সেটি কাজ করছে। মৎস্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে সিভিল সোসাইটির সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।