দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে র‌্যাব

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি স্থানে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর মাধ্যমে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করেছিল। তবে তাদের পরিকল্পনা রুখে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। গতকাল সোমবার দুপুর পৌনে ১২টায় বনানীর একটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

দেশের কয়েকটি স্থানে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্টের চেষ্টা করেছিল জানিয়ে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে র‌্যাব এই অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছে। এ বিষয়ে র‌্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যেসব দুষ্কৃতকারী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করেছিল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলমান রয়েছে। আমরা এ বিষয় নিয়ে কাজ করছি।’

তিনি বলেন, ‘একটি চক্র গুজব রটিয়ে প্যানিক সৃষ্টি করেন। এর মাধ্যমে নাশকতা ও সহিংসতা করার চেষ্টা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের গুজব সৃষ্টিকারীদের র‌্যাব সাইবার মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করছি।’

র‌্যাব মুখপাত্র বলেন, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে র‌্যাব দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা নিয়েছে; যাতে নির্বিঘেœ এই উৎসব শেষ হয়। প্রায় ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় র‌্যাবের চার হাজারের বেশি সদস্য নজরদারি করছে। দেশব্যাপী তিন শতাধিক টহল দল কাজ করছে, যাতে এই উৎসব কেউ বানচাল করতে না পারে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে র‌্যাবের চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। গোয়েন্দারা মাঠে কাজ করছে।’ র‌্যাবের স্পেশাল ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং চলছে জানিয়ে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘যেখানেই প্রয়োজন হচ্ছে সেখানেই পূজা কমিটির আহ্বানে র‌্যাব সদস্যরা কাজ করছেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‌্যাবের স্পেশাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এলিট ফোর্সের হেলিকপ্টার প্রস্তুত আছে। দেশের সবকিছু আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’