ভারতের কর্ণাটকে হুবলি ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির অধীন এলাকায় বার বার লোডশেডিংয়ে বিরক্ত সাধারণ মানুষ। লোডশেডিংয়ের ফলে রাতে চারদিক অন্ধকারে জমিতে কুমির বা সাপ এলেও বোঝা যাচ্ছিল না। আতঙ্কে দিন কাটছিল স্থানীয়দের।
এরপরই একটি কুমিরকে ধরে বেঁধে বিদ্যুৎ অফিসে নিয়ে চলে আসেন স্থানীয়রা। চাষের জমিতে ওই কুমিরটি দেখা যায়। সম্ভবত কৃষ্ণা নদী থেকে সেটা জমিতে চলে এসেছিল। জমিতে পানি দিতে গিয়ে কৃষকরা কুমিরটি দেখতে পান। তারপরই সেটাকে ধরে গ্রামের লোকজন বিদ্যুৎ অফিসে নিয়ে চলে আসেন।
গত ১৯ অক্টোবর তারা কুমিরটিকে ধরে ইলেকট্রিক অফিসে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বার বার লোডশেডিং হচ্ছে। বলেও লাভ হচ্ছে না। তারই প্রতিবাদে তারা কুমির নিয়ে হাজির
এদিকে অফিসে কুমির দেখে চিৎকার শুরু করে দেন কর্মীরা। এরপর পুলিশ ও বন দপ্তরে খবর দেওয়া হয়। তারা সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এরপর স্থানীয় প্রশাসন জানান, দিনের বেলা যাতে লোডশেডিং না হয় সেটা তারা দেখবেন। এরপর বন দপ্তরের লোকজন কুমিরটিকে স্থানীয় আলমাট্টি বাঁধে ছেড়ে দিয়ে আসেন।
দিনের বেলা বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে জমিতে সেচ দেন কৃষকরা। তখনই তাদের কুমিরের সামনে পড়তে হয়। তার জেরেই এবার এই অভিনব প্রতিবাদ করেন তারা।
সেচ দপ্তর বলছে, এবার বৃষ্টি বেশি না হওয়ায়। বাঁধেও বেশি পানি নেই। এর জেরে সেচের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এদিকে দিনের বেলা আবার বিদ্যুৎ থাকছে না।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।