আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার বললেন, যতদিন পারফরম্যান্স করে যেতে পারবেন এবং শরীর সাড়া দেবে ততদিন খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।
অনেক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পান মাহমুদউল্লাহ। আস্থা রাখার প্রতিদান অবশ্য দেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে খেলেন ১১১ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপে করেন তিনটি সেঞ্চুরি।
আইসিসির আসরে মাহমুদউল্লাহকে জ্বলে ওঠতে দেখা যায় প্রায়ই। ২০১৫ বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরির পর এবার করলেন একটি। মাঝে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও তিন অঙ্কের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি।
বয়স হয়ে গেছে ৩৭ বছর। আগামী বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর বয়স হবে ৪১। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, এটিই হতে চলেছে তার শেষ বিশ্বকাপ।
আইসিসির ভিডিওতে তিনিও নিশ্চিত করলেন সেটা, ‘দেশের হয়ে অনেকদিন ধরেই খেলছি আমি। ২০০৭ সালে আমার অভিষেক হয় বাংলাদেশের জার্সিতে। এরপর অনেক সময় হয়ে গেলো আমি খেলছি, আইসিসি ইভেন্টে চারটি সেঞ্চুরি করতে পারায় আসলে আমি নিজেকে ভাগ্যবানই মনে করি।’
অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার আরও বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ। এরপর বাংলাদেশের হয়ে আমি আর কতদিন খেলতে পারবো তা নির্ভর করছে আমার শরীর এবং পারফর্ম্যান্সের উপর। তবে খুব তাড়াতাড়ি হোক বা আরও কিছু সময় পরেই হোক, আমাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হবে।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেবেন তরুণরা আশাবাদী মাহমুদউল্লাহ, ‘ক্রিকেট সামনে এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশ ক্রিকেটও সামনে এগিয়ে যাবে, আমাদের ড্রেসিংরুমে মুস্তাফিজ, তাসকিন, মিরাজরাই হবে সিনিয়র ক্রিকেটার, ভবিষ্যতে ওরাই হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিংবদন্তি।’
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে আজ নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।