চলতি বছর সীমান্তে ৪০ হাজারেরও বেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীকে শনাক্ত করেছে স্লোভাকিয়া, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১১ গুণ বেশি। ইউরোপের পশ্চিমের দেশগুলোতে প্রবেশে ইচ্ছুক অভিবাসীরা স্লোভাকিয়াকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে। ফলে অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে হাঙ্গেরির সঙ্গে থাকা সীমান্ত এলাকায় শত শত পুলিশ কর্মকর্তা ও সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির নবগঠিত সরকার।
সদ্য দায়িত্ব নেওয়া দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বলেছেন, অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, না হলে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িতরাও দেশটিতে প্রবেশ করতে পারে। যদিও সীমান্তে সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বিস্তারিত কিছু জানাননি নতুন প্রধানমন্ত্রী। তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা বুঝতে গত সোমবার দিনের শেষভাগে একটি সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেছেন তিনি।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতুস সুতাজ এস্টক বলেন, আমরা একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই। নতুন সরকারের সঙ্গে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ এসেছে। সরকার স্বীকৃত সীমান্ত পারাপার বাদে হাঙ্গেরির সঙ্গে থাকা অন্য সব সীমান্তে নজরদারির জন্য ‘বিপুলসংখ্যক সেনা’ মোতায়েন করা হবে। খবর ডয়চে ভেলের।
সম্প্রতি স্লোভাকিয়াকে ট্রানজিট দেশ হিসেবে ব্যবহার করে সার্বিয়া থেকে হাঙ্গেরি হয়ে, পশ্চিম ইউরোপীয় দেশে প্রবেশ করেছেন বিপুলসংখ্যক অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থী। গত ০৫ অক্টোবর হাঙ্গেরির সঙ্গে থাকা সীমান্তে তল্লাশি চালু করেছিল সদ্য বিদায়ী স্লোভাক সরকার।
অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে স্লোভাকিয়ার সঙ্গে থাকা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র ও পোল্যান্ড। এরপর একই পথে হেঁটে হাঙ্গেরির সঙ্গে থাকা সীমান্তে নজরদারি বাড়ায় স্লোভাকিয়া।