গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনকে বলব ১৪ ,১৮ সালের মতো সাজানো পাতানো নির্বাচন করে পার পাবেন না। পাতানো নির্বাচনের পথে হাঁটলে জনগণ আপনাদের গলায় গামছা বেঁধে রাস্তায় ঘুরাবে।
সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ,সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে তৃতীয় দফায় বিরোধী দলসমূহের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের শেষ দিনে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করে গণ অধিকার পরিষদ। কর্মসূচী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সড়ক অবরোধ করে গাড়ি থামিয়ে কর্মসূচি পালন করছি। কোথাও একটা ঢিল ছোঁড়া হয় নাই, একটা গাড়ির কাঁচও ভাঙা হয় নাই। আমাদের এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে হবে। রাস্তায় যেন কোনো গাড়ি না চলে, রেলপথে যেন কোনো ট্রেন না চলে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এই প্রতিকূল পরিবেশেও যারা রাজপথে আছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই।
জনগণের প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা রাজপথে নেমে আসুন।আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে এই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে।
গণ অধিকার পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেন, প্রতিদিন বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নির্বাচনে না গেলে জেলে ঢোকানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে। অনতিবিলম্ব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সকল নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিতে হবে।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিল উজ্জামান,শহিদুল ইসলাম ফাহিম,ফাতেমা তাসনিম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন , ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সহ গণমাধ্যম সম্পাদক শাকিল আহমেদ,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাসেল মিয়া, সহ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক নিরাপত্তা সহ সম্পাদক হেলেনা আক্তার, সহ- নারী বিষয়ক সম্পাদক মীর দিলরুবা সুলতানা , সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক নুরুল করীম শাকিল, উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন,সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারিকুল ইসলাম,শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুহেল রানা সম্পদ সহ নেতাকর্মীরা।