রানটা আরেকটু বেশি হলে মিচেল মার্শ হয়তো ছুঁয়ে ফেলতে পারতেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। অথবা ডেভিড ওয়ার্নাররা আজও ব্যর্থ হলে সেই ভূমিকাটা নিতে পারতেন তিনি। বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ৩০৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে তিনি ১৭৭ রানের ম্যাচসেরা একটা ইনিংস খেলেছেন। যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।
মার্শের ব্যাট থেকে ১৩২ বলে ১৭ চার ও ৯ ছক্কায় আসে ১৭৭ রান। যেন একাই ধসিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। তার হাতেই ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে। পুরস্কার নিতে এসে জানালেন সেমিফাইনালে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন তিনি। খেলাটা টানটান উত্তেজনার হবে বলেও মনে করেন তিনি। এমন ইনিংস খেলে তার নিজেরও খুব ভালো লাগছে বলেই জানিয়ে গেলেন।
কেমন লাগছে জানতে চাইলে ম্যাচসেরা মার্শ বলেন, ‘দারুণ লাগছে। অবশ্যই এই স্কোরটি তাড়া করতে পেরে ভাল লাগছে। এখন সেমিফাইনালে। আমি জানতাম যে হেড যখন ফিরে আসবে, তখন আমি তিনে নেমে যাব। তবে ব্যাটিং পজিশন যেখানে থাকুক না কেন আমার কৌশল একই রাখার চেষ্টা করছিলাম। নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কয়েকটি ম্যাচে আমি ছন্দ হারিয়ে ফিরেছিলাম। এটা নিজেকে ফিরে পাওয়ার জন্য ভালো একটা ইনিংস।’
পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পেরে ভালো লাগছে জানিয়ে বলেন, ‘আপনি অনেক সময় ব্যর্থ হবেন, তবে সঠিক সময়ে নিজেকে ফিরে পাওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিশ্চিত যে আমার বাড়িতে নানা-মাসহ সবাই বাড়িতে বসে খেলাটি দেখেছেন। আশা করি আজ তাদের মুখে হাসি থাকবে। আমার দাদা একজন মহান মানুষ ছিলেন। আমরা তার জীবদ্দশায় অনেক খুশির মুহূর্ত পাড় করেছি। তাদের জন্য পারফর্ম করতে পেরে ভালো লাগছে। তবে জয় পেয়ে খুশির মাত্রাটা আরও বেড়েছে।’
সেমিফাইনালে খেলতে নামার জন্য নাকি তার আর তর সইছে না। এই বিষয়ে উপস্থাপক জানতে চাইলে মার্শ বলেন, ‘অপেক্ষা করতে পারছি না বন্ধু। এটা হাড্ডাহাড্ডি একটা লড়াই হতে চলেছে। সেরা চারটি দল সেমিফাইনালে খেলছে। আমি কলকাতায় যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।’