খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দিতে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজার নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে এসে পৌঁছেছেন। মিছিলে আসা নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে সভাস্থালে আসেন।
আজ সোমবার (১৩ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনায় আসছেন। বিকেলে সার্কিট হাউজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তিনি।
মাশরাফি ছাড়াও বিভিন্ন জেলা উপজেলার নেতারা তাদের কর্মী নিয়ে মিছিল করে এ জনসভায় যোগ দিচ্ছেন সকাল থেকেই। ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে ট্রেনে করে খুলনায় আসছেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দিতে ১০ জোড়া স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে রেলওয়ে বিভাগ।
এসব ট্রেন নওয়াপাড়া, যশোর, বেনাপোল, চুয়াডাঙ্গা, কোটচাঁদপুর, আলমডাঙ্গা, মোবারকগঞ্জ ও কুষ্টিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে খুলনায় পৌঁছাবে।
এছাড়া নৌ-পথে দূরদূরান্ত থেকে খুলনায় আসছেন নেতাকর্মীরা। মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে সোমবার একদিনের জন্য রূপসা ঘাটে পাঁচটি ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শুধু রূপসা ঘাটেই নয়, জেলখানা ঘাটে তিনটি ও নগরঘাটে দুইটি ফেরি চলাচল করবে। দিনটি ঘিরে সব মিলিয়ে খুলনার তিনটি ঘাটে ১০টি ফেরি চলাচল করছে।
খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে দুপুর পৌনে ১টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করবেন। এরপর দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন তিনি। বেলা পৌনে ৩টায় সার্কিট হাউজ মাঠে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ আয়োজিত খুলনা বিভাগীয় জনসভায়।
জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।