নিলামে টাইটানিকের মেন্যু

তখনকার সময়ে দানবীয় এক জাহাজ, যেটি কিনা বিশালতার চেয়ে বরং করুণ পরিণতির জন্য ইতিহাস হয়ে গেছে। দানবীয় জাহাজটির খাবার তালিকা ছিল রীতিমতো রাজকীয়। অয়েস্টার, স্যামন, বিফ, স্কোয়াব, ডাক, চিকেন, পার্সনিপ পিউরি আর মূল ডিশের শেষে ময়দা, ডিম, জ্যাম, ব্র্যান্ডি, আপেল, চেরি, চিনি ও নানা মশলা দিয়ে তৈরি ভিক্টোরিয়া পুডিং! এসব ঐতিহাসিক জাহাজ টাইটানিকের ফার্স্ট ক্লাস অর্থাৎ ধনকুবের যাত্রীদের খাবার তালিকা। জাহাজ এখন আটলান্টিকের তলায় থাকলেও সংগ্রাহকের কাছে এটির একটি মেন্যু রয়েছে মোটামুটি বহাল তবিয়তে। কেবল সাদা কাগজটি হাল্কা হলদেটে হয়েছে। মেন্যু কার্ডের ডান দিকে লেখা, এপ্রিল ১১, ১৯১২! আর উপরে একটি লাল পতাকা, তার মাঝে সাদা তারা। এটি টাইটানিকের পতাকা।   

১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে একটি প্রকাণ্ড হিমশৈলে ধাক্কা লাগে টাইটানিকের। ফাটল ধরে জাহাজে। সেই রাতেই ডুবে যায় টাইটানিক। প্রাণ হারান কমপক্ষে ১৫০০ জন। যারা লাইফবোটে জায়গা করতে পেরেছিলেন, তারা বেঁচেছিলেন। এমনই কোনো ভাগ্যবান যাত্রী টাইটানিক ছাড়ার আগে হয়তো একটি মেনু কার্ড স্মৃতি সঙ্গেই লাইফবোটে উঠে পড়েছিলেন। জাহাজডুবির তিন দিন আগের সেই মেনু কার্ড এ বার লন্ডনে নিলামে উঠেছে। দাম উঠেছে ৮৩ হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশী টাকায় যা ১ কোটি টাকারও বেশি।